Datasets:
url stringlengths 23 928 | title stringlengths 3 462 | description stringlengths 0 2.28k | keywords listlengths 0 84 | author stringclasses 1
value | publishedDate stringclasses 1
value | modifiedDate stringclasses 1
value | category stringclasses 1
value | language stringclasses 2
values | siteName stringclasses 1
value | image stringlengths 0 209 | type stringclasses 2
values | canonical stringlengths 0 549 | content stringlengths 0 299k | breadcrumbs listlengths 0 0 | tags listlengths 0 0 | scrapedAt stringdate 2026-03-07 16:27:11 2026-03-08 23:09:21 |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
https://storymirror.com/read/bengali/story/aalor-sinddi-beyye/6l41320h | আলোর সিঁড়ি বেয়ে | Bengali Children Stories Story | SUBHAM MONDAL | প্রীতমদা ফিরে এসেছেন। কি ছিল দেবদারু গাছ টির রহস্য?. চটিজোড়া,সরু আলাে,দেবদারু গাছের,খবরের কাগজে,কথাবার্তা,নাচের মতন. Read Bengali Children Stories Story আলোর সিঁড়ি বেয়ে By SUBHAM MONDAL | [
"চটিজোড়া",
"সরু আলাে",
"দেবদারু গাছের",
"খবরের কাগজে",
"কথাবার্তা",
"নাচের মতন"
] | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/aalor-sinddi-beyye/6l41320h | Children Stories
Horror
Children Stories
Horror | [] | [] | 2026-03-07T16:27:11.216Z | |||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/aajkaalkaar-aayddjaasttmentt/5l31l5un | আজকালকার আ্যডজাস্টমেন্ট | Bengali Tragedy Story | Tanushree Mandal | বাট তার মানে এটা নয় যে আজকালকার মেয়েরা ঠিক আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না. সোজা কথা,নারী শক্তি,অভিযোজন. Read Bengali Tragedy Story আজকালকার আ্যডজাস্টমেন্ট By Tanushree Mandal | [
"সোজা কথা",
"নারী শক্তি",
"অভিযোজন"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/c14def930d76b1704d9b37389b43899c.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/aajkaalkaar-aayddjaasttmentt/5l31l5un | Tragedy
Crime
Inspirational
Tragedy
Crime
Inspirational
"আজকালকার মেয়েরা নাকি আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না!!" শুনলাম তো তাই!! আচ্ছা ঠিক আছে মানলাম আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না ওরা!! তাতেও আজকালকার দিনের দোষ!! আচ্ছা বাইরে বেরোলে যখন ছেলেরা বলে ওঠে "ওয় হয়!!" তখন চুপ করে থাকবো বুঝি?? এটাকেই বুঝি আ্যডজাস্টমেন্ট বলে?? এই আ্যডজাস্টমেন্ট করলে আমাদের লাভটাই বা কি?? বেকার বেকার সম্মানহানী, অপদস্থ হওয়া!! তারপরেও অনেক মেয়ে চুপ করে যায়!! কিছু বলতে পারে না। তাও আপনারা বলবেন আজকালকার মেয়েরা নাকি আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না!! নিজের স্বপ্নটাকে ভেঙে দিয়ে এখনো অনেক মেয়ে বাবার কথায় বিয়ের পিড়িতে বসে!! তাও আপনারা বলবেন আজকালকার মেয়েরা নাকি আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না!! এখনো অনেক মেয়ে আছে, যারা নিজের সংসারকে নিজের সবটুকু দিয়ে ভরিয়ে রাখে। আর বিনিময়ে শুধু খোঁটা শুনতে পায়, গরীব বলে।
তাও আপনারা বলবেন আজকালকার মেয়েরা নাকি আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না!! নিজের পছন্দ করা মানুষটাকে ভুলিয়ে পরিবারের মতে বিয়ে করে এখনো অনেক মেয়ে!! তাও আপনারা বলবেন আজকালকার মেয়েরা নাকি আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না আর কত চাই আপনাদের?? ছেলেরা মেয়েদের অসম্মান করুক আর মেয়েরা চুপ করে থাকুক সবসময়!! এটাকেই আ্যডজাস্টমেন্ট বলেন বুঝি?? রাত করে অফিস থেকে বাড়ি ফিরলে মেয়েটাকে হাজারো প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করান আর মেয়েটা একটু জোর গলায় কথা বললেই দোষ ?? সবসময় কথা শুনেও মাথা নীচু করে থাকতে হবে ওদের!! এটাকেই আপনারা আ্যডজাস্টমেন্ট বলেন বুঝি?? কখনো ভেবে দেখেছেন কি?! মেয়েটা কতো আ্যডজাস্টমেন্ট করছে!! আজকালকার মেয়েরাও আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে!! শুধু তাদের অবস্থাটা ভিন্ন ধরণের!! বোঝার চেষ্টা করুন। না বুঝে কথা বলাটাকি সত্যিই খুব প্রয়োজন?? আচ্ছা ওগুলো সহ্য করে নেওয়াকে কি আ্যডজাস্টমেন্ট বলে না আপনাদের ভাষায়?? প্লিজ না জেনে বুঝে মেয়েটাকে বলবেন না আজকালকার মেয়েরা আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না!! ওরাও পারে!! তবে দিন বদলেছে শুধু তার মধ্যে রয়েছে এক ন্যায়ের প্রতিবাদ!! ব্যাস!! বাট তার মানে এটা নয় যে আজকালকার মেয়েরা ঠিক আ্যডজাস্টমেন্ট করতে পারে না!!
উপেক্ষা ৩য় পর্ব
উপেক্ষা ৩য় পর্ব
নিঠুর সমাজ
নিঠুর সমাজ
নববর্ষের স্মৃতি
নববর্ষের স্মৃতি
Untitled
Untitled
দিগন্তের ওপার থেকে
দিগন্তের ওপার থেকে
খেলা হবে
খেলা হবে
তমা জানেনা। আজ তার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে আগুন ধরাচ্ছে কে? চিন্ময়? নাকি, অরু... অরণ্য?
তমা জানেনা। আজ তার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে আগুন ধরাচ্ছে কে? চিন্ময়? নাকি, অরু... ...
বাণী হয়তো বুঝতেই পারলোনা ঠিক কতটা সুখী হয়েছে তার বুকের পাঁজর, তার জয়ী
বাণী হয়তো বুঝতেই পারলোনা ঠিক কতটা সুখী হয়েছে তার বুকের পাঁজর, তার জয়ী
শব্দটা বড়ো আপন। ওইটুকু শুনলেই বোঝা যায় আমি আছি। একটা অসম্পূর্ণতা আমাকে মুছে ফেলতে
শব্দটা বড়ো আপন। ওইটুকু শুনলেই বোঝা যায় আমি আছি। একটা অসম্পূর্ণতা আমাকে মুছে ফেলত...
তোমার হাতটা একবার রাখবে আমার হাতের ওপর, বিপ্রদাস ?’
তোমার হাতটা একবার রাখবে আমার হাতের ওপর, বিপ্রদাস ?’
মৃতা মায়ের ছবিটার দিকে অপলকে তাকিয়ে রইলো... এইতো জীবনের আদান-প্রদান, ভালোয়-মন্দে, সু
মৃতা মায়ের ছবিটার দিকে অপলকে তাকিয়ে রইলো... এইতো জীবনের আদান-প্রদান, ভালোয়-মন...
আমার বিশ্বাস তুমি পারবে।
আমার বিশ্বাস তুমি পারবে।
আমি কিন্তু আজও দেখতে পাই
আমি কিন্তু আজও দেখতে পাই
আর দিগন্ত থেকে হয়ত তখনই একটা না বলা কথা উঠে আসতে চায়,কিন্তু পারে না,’তোকে,তোকে,তোকে।‘
আর দিগন্ত থেকে হয়ত তখনই একটা না বলা কথা উঠে আসতে চায়,কিন্তু পারে না,’তোকে,তোকে,ত...
বাড়ি ফিরে সেদিন ছিল খাঁ খাঁ শুন্যতা
বাড়ি ফিরে সেদিন ছিল খাঁ খাঁ শুন্যতা
এক আলোকবর্ষ দূর
এক আলোকবর্ষ দূর
"কলির শোকাচ্ছন্ন চেতনা ঘুরপাক খেতে খেতে ধাক্কা খায় ওদের বেডরুমের দেওয়ালে দেওয়ালে।"
"কলির শোকাচ্ছন্ন চেতনা ঘুরপাক খেতে খেতে ধাক্কা খায় ওদের বেডরুমের দেওয়ালে দেওয়...
"...লাগি লগন পতি সখী সন্....!"
"...লাগি লগন পতি সখী সন্....!"
Sontan sontoti shobar age.... Nijer career er o..
Sontan sontoti shobar age.... Nijer career er o..
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো...
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো... | [] | [] | 2026-03-07T16:27:18.292Z | ||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/baanlaa-kaabye-shrter-bndnaa/bgfosdm0 | বাংলা কাব্যে শরতের বন্দনা | Bengali Abstract Story | Soumya Ghosh | পরিশেষে বলা যায়, শরত প্রকৃতিকে অপরূপ রূপে সাজিয়ে যায় যার আবেশে অতি সাধারন মানুষ ও ভাবাব. শুভেচ্ছা স্মারক,অনাসক্ত প্রাণ,প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য,শরৎকে বলা হয় শুভ্রতার প্রতীক | [
"শুভেচ্ছা স্মারক",
"অনাসক্ত প্রাণ",
"প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য",
"শরৎকে বলা হয় শুভ্রতার প্রতীক"
] | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/baanlaa-kaabye-shrter-bndnaa/bgfosdm0 | Abstract
Fantasy
Others
Abstract
Fantasy
Others
"আজিকে তোমার মধুর মুরতী/হেরিণু শরৎ প্রভাতে/ হে মাত বঙ্গ শ্যামল অঙ্গ/ঝরিছে অনল শোভাতে।"
শুভ্রতার ঋতু শরতের বর্ণনা দিয়ে এমনই পঙ্ক্তিমালা সাজিয়েছেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ঝকঝকে কাঁচের মতো স্বচ্ছ নীল আকাশ আর তার মধ্যে পেঁজা তুলার মতো সাদা মেঘমালা- এসব নিয়েই প্রকৃতি বরণ করে নেয় শরৎকালকে।বর্ষার ঝরঝর বাদল যখন বিরহকাতর প্রেমিক হৃদয়ের আকাশে কান্না হয়ে ঝরে,তখনি সজীব প্রকৃতি এই বিরহ- ব্যাথায় প্রশান্তির প্রলেপ দিতে নিয়ে আসে শরতের শুভ্রতার পবিত্র ছোঁয়া। এই পবিত্র ছোঁয়ার স্নানে শুদ্ধ হয় প্রতিটি হৃদয় মন। এর সাথে অনাবিল আনন্দের ঝর্ণা হয়ে আসে সুনীল আকাশের স্বচ্ছতায় শিমুল তুলার মতো শাদা শাদা মেঘ। প্রকৃতিও নানান বাহারী ফুলের সজ্জায় সাজিয়ে তুলে তার অঙ্গ সৌষ্ঠব। শিউলি, বেলী, কাশফুল, মাধবী, মলিকায় বিমোহিত তৃষ্ণার্ত আঁখি। শরতকে বলা হয় ঋতু রাণী।
শরৎ প্রকৃতিকে যে মোহনীয় রূপ-রসে সাজায় তাতে প্রতিটি হৃদয়কে উতলা করে তোলে।নীল আকাশের শাদা মেঘ নিয়ে আসে কোমল আনন্দের বার্তা।রপময়,নির্মল শরত প্রকৃতির সাথে সাথে মানুষের মনকেও করে তোলে কাব্যিক।রাতের অপূর্ব স্বচ্ছ জোছনায় ভিজে উঠে কবি-মন।সৃষ্টি হয় অসাধারণ সব কবিতা,গান আর সুরের।চর্যাপদের কবি থেকে শুরূ করে আধুনিক কবিরাও শরতের নান্দনিকতায় সৃষ্টি করেছেন সাহিত্যের অমিয় সুধা।
ঋতু পরিক্রমার তৃতীয় ঋতু শরৎকাল। গঠিত হয় ভাদ্র ও আশ্বিন মাস নিয়ে। খ্রিষ্টীয় পঞ্জিকা অনুসারে মধ্য আগস্ট থেকে মধ্য অক্টোবর পর্যন্ত শরৎ ঋতুর পথচলা।
শরৎকে বলা হয় শুভ্রতার প্রতীক! সাদা কাশফুল, শিউলি, স্নিগ্ধ জ্যোৎস্না, আলোছায়ার খেলা দিনভর- এইসব মিলেই তো শরৎ। শরৎকালের প্রথম মাস অর্থাৎ ভাদ্রের শুরু থেকেই শরতের আবির্ভাবটা লক্ষণীয়। শরতের স্নিগ্ধতা এক কথায় অসাধারণ! জলহারা শুভ্র মেঘের দল যখন নীল, নির্জন, নির্মল আকাশে পদসঞ্চার করে তখন আমরা বুঝতে পারি শরৎ এসেছে। শরতের আগমন সত্যিই মধুর।
কাশফুলের এ অপরূপ সৌন্দর্য পুলকিত করেনি এমন মানুষ খুঁজে মেলা ভার। গাছে গাছে শিউলির মন ভোলানো সুবাসে অনুভূত হয় শরতের ছোঁয়া। শরতের মেঘহীন আকাশে গুচ্ছ গুচ্ছ কাশফুলের মতো সাদা মেঘের ভেলা কেড়ে নেয় মন। শরৎকালেও বর্ষণ হয়, তবে বর্ষার মতো অবিরাম নয়। বরং শরতের বৃষ্টি মনে আনন্দের বার্তা বয়ে আনে। চারপাশের শুভ্রতার মাঝে বৃষ্টির ফোঁটা যেন আনন্দ-বারি! বৃষ্টি শেষে আবারও রোদ। দিগন্তজুড়ে সাতরঙা হাসি দিয়ে ফুটে ওঠে রংধনু। প্রকৃতির এ অপরূপ যেন প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য চায়। হয়তো ইচ্ছা হয় গোধূলির ওপারে হারিয়ে যেতে প্রিয়জনের হাতটি ধরে।
শারদসম্ভার নিয়ে রচিত হয়েছে অসংখ্য কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ। চর্যাপদের পদকর্তা থেকে শুরু করে আজকের তরুণতম কবির রচনায় ও শরৎকাল তার নান্দনিক ব্যঞ্জনা নিয়ে উদ্ভাসিত। বৈষ্ণব সাহিত্যেও তার প্রমাণ পাওয়া যায়। ভাদ্র মাস কে নিয়ে বৈষ্ণব পদাবলীর এই পদটি সম্ভবত বিদ্যাপতি রচিত রাধা বিরহের সর্বশ্রেষ্ঠ পদ।
বৈষ্ণব সাহিত্যে শরতের সৌন্দর্য, বিরহের রূপ প্রতিটি মানুষের মনকে উদ্বেল করে তোলে।বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম কবি বিদ্যাপতি রাধা বিরহের যে চিত্র অংকন করেছেন তা শুনে প্রতিটি বিরহ কাতর হৃদয়ই হাহাকার করে উঠে।
সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি কালিদাস। তাঁর অমর সৃষ্টি ‘মেঘদূত’ কাব্যগ্রন্থ।বাংলা সাহিত্যে প্রচুর সংস্কৃত শব্দের উপস্থিতি।বাংলা ভাষাও নানান ভাবে সংস্কৃতের কাছে ঋণী।আর কালিদাসের মেঘদূত বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে আসছে বহু পূর্ব থেকেই। ‘মেঘদূতে’ স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে পতিত প্রেমিক যক্ষ তার প্রিয়ার বিরহে কাতর।বর্ষার আকাশের মেঘকে তাই সে দূত করে প্রিয়ার কাছে পাঠায়।বিরহী বর্ষা শেষে শরতের আগমনে তার মনোকাশেও প্রিয়া মিলনের আশায় চঞ্চল হয়ে উঠে।তিনি বলেন-
"প্রিয়তম আমার,ঐ চেয়ে দেখ,নববধুর ন্যায় সুসজ্জিত শরতকাল সমাগত।"
কবি কালিদাস "ঋতুসংহার "কাব্যে শরতকে নারী দেহের সাথে তুলনা করে যে বর্ণনা দিয়েছেন তা অসাধারণ।এই বর্ণনা শুনে সবার মনই নারী কামনায় কাতর হয়ে উঠে।কবি লিখেছেন--
‘কাশফুলের মতো যার পরিধান, প্রফুল পদ্মের মতো যার মুখ, উন্মত্ত হাঁসের ডাকের মতো রমনীয় যার নুপুরের শব্দ, পাকা শালি ধানের মতো সুন্দর যার ক্ষীণ দেহলতা, অপরূপ যার আকৃতি সেই নববধুর মতো শরৎকাল আসে।’
বাংলা সাহিত্যের অমর বটবৃক্ষ বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঋতু বন্দনার কবিতা, গান রচনা করেছেন প্রকৃতির সাথে মিশে। বিভিন্ন ঋতু ভিত্তিক তাঁর গান,কবিতা আছে। আর ঋতুর রাণী শরতকে নিয়ে তাঁর সৃষ্টি যেন বাঙময় হয়ে উঠেছে সৃষ্টিশীল কলমে।শরতের বর্ণনাময় কবিতা-গানে আমাদের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ ও সুবাসিত করেছেন কবিগুরূ।যেমন তিনি শরত নিয়ে লিখেছেন--
শরতের পরিষ্কার সুনীল আকাশ,ধানক্ষেতে বাতাসের খেলা,আকাশে শাদা মেঘের ভেসে বেড়ানো দেখে যে ভালোলাগার খেলা মনে খেলে যায়। তাই কবিগুরুর কলমে :
‘আজ ধানের ক্ষেতে রৌদ্র ছায়ায় লুকোচুরির খেলা
নীল আকাশে কে ভাসালে সাদা মেঘের ভেলা।’
বাংলা সাহিত্যাকাশে উজ্জ্বল ধুমকেতু কবি কাজী নজরুল ইসলাম। অন্যায়, অত্যাচার, পরাধীনতা তাঁকে বিদ্রোহী করে তুললেও; প্রেম, বিরহের চির কাঙ্গাল কবি শরতেরও জয়গান গেয়েছেন তাঁর কবিতা আর গানে। চির সবুজ এসব কবিতা, গানে স্নাত হয় পাঠক মন। বিদ্রোহী কবির গহীন হৃদয়ে ঝর্ণার মতো জমানো এত প্রেম, সত্যিই বিস্মিত করে তোলে। "রাখি বন্ধন" কবিতায় কবি শরতের রূপ তুলে ধরেছেন এভাবে--
‘সই পাতালো কি শরতে আজিকে স্নিগ্ধ আকাশ ধরণী?
নীলিমা বাহিয়া সওগাত নিয়া নামিছে মেঘের তরনী!
অলাকার পানে বলাকা ছুটেছে মেঘদূত মন মোহিয়া
চঞ্চু রাঙা কলমীর কুড়ি মরতের ভেট বহিয়া।
সখির গাঁয়ের সেঁউতি বোটার ফিরোজায় ঢঙ পেশোয়াজ
আসমানী আর মৃন্ময়ী সখি মিশিয়াছে,মেঠোপথ মাঝ।’
রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতার পঙক্তিতে পঙক্তিতে বাংলার প্রকৃতিকে এঁকেছেন। বাংলার হিজল, তমাল, ধানসিঁড়ি নদীর মতো শরত ও কবির কবিতায় এসেছে সার্থক রূপে।কবি শরতকে দেখেছেন একাকীত্বের দু:সহ বেদনায় রঙ এঁকে দিতে। তিনি বলেন--
‘এখানে আকাশ নীল/নীলাভ আকাশ জুড়ে সজিনার ফুল/ফুটে থাকে হিম সাদা রঙ আশ্বিনের আলোর মতোন;আকন্দ ফুলের কালো ভীমরূল/এইখানে করে গুন্জরণ।’
মাটি ও মানুষের কবি, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। গ্রামীন পটভুমিকায় তিনি মানুষ ও প্রকৃতিকে কবিতায় জীবন্ত করেছেন। তাঁর মতো এত দরদ দিয়ে মানুষের জীবন আর কেউ আঁকতে পারেননি। শরতের বিরহী রূপটি ধরা পড়েছে কবির কবিতায়--
‘গুনিতে গুনিতে শ্রাবন কাটিল, আসিল ভাদ্র মাস,
বিরহী নারীর নয়নের জলে ভিজিল বুকের বাস।
আজকে আসিবে কালকে আসিবে, হায় নিদারূন আশা,
ভোরের পাখির মতোন শুধুই ভোরে ছেঁয়ে যায় বাসা।’
সাম্প্রতিক বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম কবি, কবি আল মাহমুদ তাঁর কবিতায় আমাদের সমাজের, গ্রামের অন্ত্যজ শ্রেনীর মানুষের কথা কবিতায় আধুনিক ঢঙে উপস্থাপন করেছেন।কবি তাঁর জীবন সায়াহ্নে এসেও বাংলার শরতের ঘ্রাণ পান,ভুলতে পারেন না কাশফুলের শুভ্রতাকে। "একটি শরৎ সন্ধা" কবিতায় কবির হাহাকার--
‘ঋতুর অতীত আমি। কে জিজ্ঞাসে এটা কোন মাস?
বাতাসে গড়িয়ে পড়ে বিদায়ের বিষন্ন নির্যাস।
শ্রবনের ও শক্তি নেই। কিন্তু ভাবি কোলাহল আছে
প্রতিটা বাড়ির রন্ধ্রে, ইটে ইটে আনাচে- কানাচে!
শরতের নান্দনিক সৌন্দর্য, স্বচ্ছ সকালের কোমল রোদ, পূর্ণিমা রাতের অসাধারণ সুন্দর জোছনা সবার মন-মন্দিরে এক স্বর্গীয় অনুভূতির দোলা দেয়।নীল আকাশে শুভ্র মেঘের আনাগোনা, নদী তীরের শাদা কাশফুল কাব্যিক এই উপমাই শরতের কবিতার সুর।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বেশির ভাগ রচনায় রয়েছে প্রকৃতির জয়গান। তিনি পদ্মায় নৌকা ভ্রমণকালে শরতের ময়ূরকণ্ঠী নীল নির্মল আকাশে শিমুল তুলার মতো শুভ্রমেঘেদের দল বেঁধে ছুটে বেড়ানো দেখে লিখেছিলেন—
“অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া/দেখি নাই কভু দেখি নাই এমন তরনী বাওয়া I”
শরৎ বন্দনায় এগিয়ে রয়েছেন আমাদের কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি তাঁর অসংখ্য গান ও কবিতায় শরতে বাংলার প্রকৃতির নিখুঁত আল্পনা এঁকেছেন। তাঁর ‘শিউলি ফুলের মালা দোলে শারদ রাতের বুকে ঐ’, ‘এসো শারদ প্রাতের পথিক ’সহ অনেক গানই শরৎ-প্রকৃতির লাবণ্যময় রূপ নিয়ে হাজির রয়েছে।শরতের অসম্ভব চিত্ররূপময়তা ফুটে উঠেছে এ সব রচনায়:
“এসো শারদ প্রাতের পথিক এসো শিউলি বিছানো পথে
এসো ধুইয়া চরণ শিশিরে এসো অরুণ-কিরণ রথে।
দলি শাপলা শালুক শত দল এসো রাঙায়ে তোমার পদতল
নীল লাল ঝরায়ে ঢলঢল এসো অরণ্য পর্বতেi”
বাঙলা সাহিত্য জগতে মহাকবি কালিদাস ‘মেঘদূত’ কাব্যের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। মহাকবি কালিদাস শরৎ বন্দনায় ও ছিলেন অগ্রবর্তী।
তিনি বলেন-“প্রিয়তম আমার, ঐ চেয়ে দেখ, নব বধূর ন্যায় সুসজ্জিত শরৎ কাল সমাগত।’ কবি ‘ঋতুসংহার’ কাব্যে শরৎ কাল বিষয়ে লিখেছেন—‘কাশ ফুলের মতো যার পরিধান, প্রফুল্ল পদ্মের মতো যার মুখ, উন্মত্ত হাঁসের ডাকের মতো রমণীয় যার নূপুরের শব্দ, পাকা শালি ধানের মতো সুন্দর যার ক্ষীণ দেহলতা, অপরূপ যার আকৃতি সেই নব বধূর মতো শরৎকাল আসে I” কবি কল্পনায় শরতের সাথে প্রকৃতি ও নারীর এই উপমা দেখে বিস্ময়াভিভূত না হয়ে উপায় নেই।
শরতের আরেকটি উল্লেখ যোগ্য দিক হলো—এ সময় মাঠ জুড়ে থাকে সবুজ ধানের সমারোহ। ধানের কচিপাতায় জমা হওয়া শিশিরের ওপর প্রভাতের তরুণ আলো মুক্তার মতো দ্যুতি ছড়ায়। আমাদের দেশের কৃষকরা নবান্নের আশায় দিন গোনে। আর বাঙালির সার্বজনীন প্রাণের উৎসব, হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাউৎসবের কথা বলাই বাহুল্য। শরৎকাল শারদীয় আরাধনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেমন উৎসব মুখর করে, তেমনি বিজয়ার বেদনায়ও করে তোলে ব্যথিত। শরৎ বাঙলার প্রকৃতিতে আসে শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে, নানা মাত্রিক আনন্দের বারতা নিয়ে। কবি বিনয় মজুমদার শরতের একটি চিত্র এঁকেছেন—
“শরতের দ্বিপ্রহরে সুধীর সমীর-পরে জল-ঝরা শাদা শাদা মেঘ উড়ে যায় ;
ভাবি,এক দৃষ্টে চেয়ে, যদি ঊর্ধ্ব পথ বেয়ে শুভ্র অনাসক্ত প্রাণ অভ্র ভেদি ধায়!”
তবে শরৎকে কবি গুরু বরাবরই দেখেছেন শান্তি, মঙ্গল ও সমৃদ্ধির ঋতু হিসেবে। তিনি বলেছেন—
‘আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ শেফালী ফুলের মালা
নবীন ধানের মঞ্জুরি দিয়ে সাজিয়ে এনেছি ডালা
এসো হে শারদ লক্ষ্মী তোমার শুভ্র মেঘের রথে
কবি জসীমউদদীন শরতকে দেখেছেন ‘বিরহী নারী’ মননে। তিনি লিখেছেন
-‘গণিতে গণিতে শ্রাবণ কাটিল, আসিল ভাদ্র মাস,/ বিরহী নারীর নয়নের জলে ভিজিল বুকের বাস’।
সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক লিখেছেন:
‘‘সে কী বিস্ময়! কী যে বিস্ময়! কী করে ভুলি!/আকাশের নীল ঘন শাদা মেঘ, কবেকার গ্রামপথে ডুলি!’’
কবি রফিক আজাদ ‘আমার শরৎ’ কবিতায় বলেন:
-"শরৎ’ শব্দটি উচ্চারণ মাত্র আমার চোখের সামনে/অর্থাৎ দৃষ্টিসীমার মধ্যে শারদ-আকাশ কিংবা/কাশফুল এসে দাঁড়ায় না-/বরং শরৎচন্দ্র মূর্তিমান হন;/না, শরৎচন্দ্র, নীলাকাশে সমুজ্জ্বল কোনো চাঁদ নয়-/মহামতি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্বয়ং’।"
জ্যোসনা-প্লাবিত রাতে জাগে স্বপ্নের শিহরণ। অনুপম রূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত শরৎ ঋতু শারদ লক্ষী নামেও পরিচিত। শরৎকাল বাংলাদেশের হৃদয়ের স্পর্শ মেলে। শরতের প্রকৃতি দর্শনে অন্তরে প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য লাভের বাসনা জাগায়। প্রিয়জনের হাত ধরে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে মন চায়। কবিগুরু তাই যথার্থই লিখেছেন-
‘আজ ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায়/লুকোচুরির খেলা।/নীল আকাশে কে ভাসালে/সাদা মেঘের ভেলা।’
শরৎ নিয়ে কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ কলম চালিয়েছেন এভাবে :
“কাশফুল নদীজলে মুখ দেখে অভাবের সংসারে একাকী ভাঙ্গা আরশিতে ষোলবতী বয়রেস স্বভাব উজ্জল স্বাধীন ভাবনাগুলো মেলে দেয় শরতের নির্জন মেঘে সেও নদীটির জলে মুখ রাখে পড়ন্ত বিকেলে”।
(শরৎ দুপুরের খন্ডচিত্র/জাহাঙ্গীর ফিরোজ)
পরিশেষে বলা যায়, শরত প্রকৃতিকে অপরূপ রূপে সাজিয়ে যায় যার আবেশে অতি সাধারন মানুষ ও ভাবাবেগে আপ্লুত হয়।শরত অবসাদগ্রস্ত মনেও নতুন প্রেরণার সঞ্চার করে।তাই তো আমরা প্রকৃতিতে দেখি, এই ঋতুতে কি অপূর্ব রঙের খেলা, কি অপরূপ রঙিন ভুবন সাজায় প্রকৃতি। শরতে প্রাণবন্ত রূপ নিয়ে হেসে ওঠে গ্রাম বাংলার বিস্তৃত দিগন্ত।
অন্যরকম ভালোবাসা
অন্যরকম ভালোবাসা
সংসারে জটিলতা
সংসারে জটিলতা
মৌনতা
মৌনতা
জানকীরা ...🍁
জানকীরা ...🍁
সংসার
সংসার
স্বর্গের সিরিয়াল
স্বর্গের সিরিয়াল
বাজলো তোমার আলোর বেণু
বাজলো তোমার আলোর বেণু
কাঠের ঘোড়া
কাঠের ঘোড়া
অপেক্ষা
অপেক্ষা
মন যে মানে না
মন যে মানে না
ওষধি গাছ
ওষধি গাছ
মাই ফার্স্ট গার্লফ্রেন্ড
মাই ফার্স্ট গার্লফ্রেন্ড
চায়ের আড্ডা
চায়ের আড্ডা
প্রথম ভালোবাসা
প্রথম ভালোবাসা
বুড়ো বয়সে ভিমরতি
বুড়ো বয়সে ভিমরতি
পথে হলো দেরি
পথে হলো দেরি
জয় নগরের বিবি মা
জয় নগরের বিবি মা
মনের কথোপকথন
মনের কথোপকথন
নীল রংয়ের সাঁকো/৫
নীল রংয়ের সাঁকো/৫
আত্মা অবিনশ্বর
আত্মা অবিনশ্বর | [] | [] | 2026-03-07T16:27:25.054Z | |||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/saansaarik-raajniiti/lpyj2pde | সাংসারিক রাজনীতি | Bengali Drama Story | Rinki Banik Mondal | আমরা দুই জা তোমাকে এমনিতেই ভালোবেসে সেবাযত্ন করতাম, তারজন্য এগুলোর প্রয়োজন ছিল না মা. গল্প,কাঁদতে,প্রার্থনা,সোজা কথা,সাংসারিক,রাজনীতিতে. Read Bengali Drama Story সাংসারিক রাজনীতি By Rinki Banik Mondal | [
"গল্প",
"কাঁদতে",
"প্রার্থনা",
"সোজা কথা",
"সাংসারিক",
"রাজনীতিতে"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/55242a3105c84c26a1f067dbfb2a7c40.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/saansaarik-raajniiti/lpyj2pde | Drama
Tragedy
Drama
Tragedy
---------"দিদি, তোমাকে তো বললাম আমিই রাতের রান্নাটা করে নেব। মা আমার হাতের পরোটা খেতে ভালোবাসেন। কে বলল তোমাকে রুটি করতে?"
---------"কেন রে ছোট, আমি কি তাহলে খারাপ রান্না করি তুই বলতে চাইছিস? এতদিন যখন তুই এ বাড়িতে আসিসনি, তখন কি মা আমার হাতের রান্না খেত না?"
মিত্তির বাড়িতে এই হয়েছে এক রোজকার ঝামেলা। দুই জায়ের মধ্যে এইটা সেইটা নিয়ে খুটুর খাটুর লেগেই আছে। ওদের স্বামীরা অবশ্য সংসারে এইসব মেয়েলী ঝামেলায় নিজেদেরকে জড়ায় না। যতটা পারে এড়িয়ে চলে। তারা তাদের মত সারাক্ষণ ব্যবসাপাতি নিয়ে ব্যস্ত।
বিনি এই বাড়ির বড় বৌ। বারো বছর ধরে এ বাড়িতে সংসার করছে। স্বামী, সন্তান, শাশুড়িমা, ঠাকুরপোকে নিয়ে বেশ ভালোভাবেই গুছিয়ে সংসার করছিল ও এতদিন কিন্তু একবছর হল এখন ঠাকুরপো বিয়ে করেছে। ছোট জা টিয়াকে, বিনি ওর নিজের বোনের মতই ভালোবাসে। টিয়াও বিনিকে বড় দিদির মত শ্রদ্ধা করতো, বিনির হাতে হাতে সংসারের কাজ এগিয়ে দিত। দুজনে একসাথে বাজারে যাওয়া, শাড়ি কেনা, গল্পগুজব লেগেই থাকতো। কিন্তু ইদানিং বিনি ওর ছোট জা টিয়ার মধ্যে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করছে। টিয়া যেন সংসারের সব ব্যাপারেই ওর আগে আসতে চায়। যদিও দুই জা'ই সংসারে সব কাজ করার ব্যাপারে বেশ মনোযোগী। তবুও ইদানিং টিয়া যেন একটু বেশিই সব ব্যাপারে সচেতন হয়ে উঠছে। কে কি খাবে সকালে এমনকি কে কোন জামাকাপড় পরবে বাড়িতে সব টিয়াই ঠিক করে দিচ্ছে। বিশেষ করে ও ওর শাশুড়িমা হরিপ্রিয়াদেবীর প্রতি খুবই খেয়াল রাখতে শুরু করেছে।
হরিপ্রিয়াদেবী কিন্তু তাঁর এই দুই বৌ আর সংসার নিয়ে বেশ খুশি। সারাক্ষণ শাড়ির আঁচলে তাঁর আলমারির চাবিখানা বেঁধে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মাঝে মাঝে আলমারি খানা সেই চাবি দিয়ে খুলে দেখছেন। কিন্তু বাড়িতে আর কারোর সুযোগ নেই তাঁর আলমারির ভেতর খানা দেখার। হরিপ্রিয়াদেবীকে বাড়িতে কোনো কাজই করতে হয় না। করতে হয় না বললে ভুল, বৌমারা তাঁকে কোনো কাজ করতে দেয় না। উল্টে তাঁর যত্ন নিতে বৌমারা সদাই ব্যস্ত।
বিনি একটু রাগ করেই আজ ও ওর শাশুড়ি মায়ের কাছে গিয়ে টিয়ার এই পরিবর্তনের কথা জানায়। শাশুড়িমা বিনিকে বুঝিয়ে বলেন টিয়ার নাকি বুদ্ধিসুদ্ধি কম তাই এরকম করছে, সংসারের নিজের জায়গাটা বুঝে নিতে চাইছে। তাই উনি বিনিকেও সংসারে নিজের জায়গাটা শক্ত করে ধরতে বলেন, তা নাহলে নাকি এই সংসারে টিয়ারই আধিপত্য জমে উঠবে।
বিনিও ওর শাশুড়িমায়ের কথামত সংসারে নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। আর তাতেই শুরু হয় আরো অশান্তি। এমনকি এদের দুই জায়ের মধ্যে ঝগড়া অশান্তি এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে, কেউ কারো মুখদর্শন পর্যন্ত করতে চায় না। ওদের মধুর সম্পর্কের সমীকরণটা যেন ধীরে ধীরে জটিল হয়ে চলেছে। অথচ সংসারে কোনো কাজে ওদের কোনো ত্রুটি নেই। দুজনেই শাশুড়ির মন জয় করার জন্য সব সময় তৈরি।
এমনকি এখন বিনি আর টিয়ার মনে গেঁথে গেছে যে, ওদের মধ্যে যে বেশি শাশুড়ি মায়ের মন যুগিয়ে চলতে পারবে তাকেই হয়তো শাশুড়িমা সম্পত্তির বেশিরভাগ অ়ংশ লিখে দেবেন।
অবশেষে একদিন এই সমস্যার সমাধান হয়। হরিপ্রিয়াদেবী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শয্যাশায়ী হন। তাঁর দুই বৌ তাঁর সেবা যত্নের কোনো খামতি রাখেনি। কিন্তু তিনি বিছানায় শয্যাশায়ী হওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই প্রাণত্যাগ করলেন।
বিনি আর টিয়ার মধ্যে কেউ আর শাশুড়িমায়ের রাখা সম্পত্তির কেউ কারোর চেয়ে বেশি অংশ পেলো না। দুই ছেলের মধ্যে সম্পত্তির সমান ভাগ হয়েছে। এরই মধ্যে জানা যায়, টিয়া মা হতে চলেছে। বিনি আর টিয়ার মধ্যে আর আগের মত রেষারেষি নেই, নেই কোনো অশান্তি। ওরা কেরকম শান্ত হয়ে গেছে। ইদানিং দুই ভাইও খুব অবাক হয় ওদের স্ত্রী'দের আচরণ দেখে। পোয়াতি অবস্থার টিয়া কোনো কাজ না করতে পারলে বিনি এখন আবার এগিয়ে আসে ওকে সাহায্য করতে। সেদিন শাশুড়িমায়ের আলমারি খুলে দেখার সময় বিনি কাপড়ের ভাঁজে একটি চিঠি পায়। বিনি চিঠিটাতে চোখ বুলিয়ে দেখে চিঠিতে লেখা হাতের লেখাটা ওর খুব চেনা, যেন কোনো বাচ্চার হাতের লেখা। তারপরে চিঠিটা পড়ে ওর চক্ষু চড়কগাছ!
"শোনো বৌমারা, প্রথমেই বলি আমায় ক্ষমা করো। তোমাদের দুই জায়ের মধ্যে আমিই ইচ্ছে করে এতদিন অশান্তি বাঁধিয়ে রেখেছিলাম। বড় বৌকে বলেছি সে যেন সংসারের হাল না ছাড়ে আবার আরেকদিকে ছোটবৌকে বলেছি যে আমায় বৃদ্ধবয়সে দেখবে তাকে একটু বেশি সম্পত্তিই দিয়ে যাব। আসলে আমার তো সেরকম কিছু ছিলই না। তোমাদেরকে মিছেই গল্প করেছিলাম আমার অনেক বাসনপত্র, গয়না আলমারিতে রাখা আছে বলে। আমি জানি তোমরাও সেই মোহেই শেষ বয়সেও আমায় এত যত্ন করেছ। আসলে আমার এই বাড়িটা ছাড়া আর কিছুই নেই গো। তোমাদের দুই জায়ের মধ্যে যদি বেশি ভাব জমে উঠতো তাহলে তো তোমরা আমার চালাকি ধরে ফেলতে এমনকি দুজনে মতলব এঁটে আমাকে বৃদ্ধাশ্রমেও তো পাঠিয়ে দিতে পারতে! তাই খুব ভয় হত গো মায়েরা। আর তাতেই আমি দিনের পর দিন মিথ্যে কথা বলে তোমাদেরকে আলাদা করে রেখেছিলাম। আসলে এ হল সংসারের রাজনীতি। এই রাজনীতির খাতায় আমিও নাম লিখিয়েছিলাম গো। ক্ষমা করো আমায় তোমরা। আমি চলে গেলে এই চিঠিটা যদি কোনোদিন তোমরা হাতে পাও তাহলে আমায় ক্ষমা করো আর নিজেদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ মিটিয়ে নিও মায়েরা। আর এই চিঠিটা আমি বিল্টুকে দিয়ে লিখিয়েছি। ও চিঠিটা লিখে অনেকটাই বুঝেছে আমার মনের কথা। ওর বয়সটা মাত্র দশ হলে কি হবে জানো, ওর মাথায় অনেক বুদ্ধি। ও আমাকে কথা দিয়েছিল এই চিঠির ব্যাপারে ও কাউকে কিছু বলবে না এমনকি ও আমার কথাও কাওকে বলবে না। ভালো থেকো তোমরা, আর এই পরিবারটা আগলে রেখো।"
বিনি ভালো করে লক্ষ্য করে দেখলো সত্যিই এটা বিল্টুর হাতের লেখা। বিনি তড়িঘড়ি চিঠিটা নিয়ে টিয়াকে গিয়ে পড়ায়। চিঠিটা পড়ে টিয়ারও মাথায় বাজ ভেঙ্গে পড়ে। ও ভাবে, এও কি সম্ভব! সত্যিই এতদিনে একটা জটিল সমস্যার সমাধান হল। নাহলে হয়তো ওদের মধুর সম্পর্কগুলো আরো তিক্ত হয়ে উঠতো, আরো জটিল থেকে জটিলতর হয়ে উঠতো। টিয়া ওর শাশুড়িমায়ের উদ্দ্যেশ্যে বলে ওঠে-
-------"আমরা দুই জা তোমাকে এমনিতেই ভালোবেসে সেবাযত্ন করতাম, তারজন্য এগুলোর প্রয়োজন ছিল না মা। তবে জানিনা মা, আমাদের মতিভ্রম হতেও পারতো,নাহলে কি আর গয়নায় লোভে পড়তাম? তা যা করেছ ভালোই করেছ। তবে এইবার তুমি এই রাজনীতির খেলায় আমাদের হারিয়ে চলে যেতে পেরেছ, ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি তুমি আমার মেয়ে হয়ে আবার আমার কোলে ফিরে এসো। তখন আমরা দুই জা মিলে তোমাকে এই সাংসারিক রাজনীতিতে হারাবো তবে ঝগড়া অশান্তি দিয়ে নয়, ভালোবাসা দিয়ে।"
কথাটা শেষ করেই টিয়া ওর বড় জা বিনিকে জড়িয়ে কাঁদতে শুরু করে। বিনিরও চোখে জল।।
ছেলেবেলা
ছেলেবেলা
আজকের দিনে সৎ, সাধারণ ভালো মানুষই বা কোথায় পাওয়া যায়, তাই না?
আজকের দিনে সৎ, সাধারণ ভালো মানুষই বা কোথায় পাওয়া যায়, তাই না?
কাজরী ফোন রেখে দিলে ওরা চারজন ছাদে বসে গল্পে মেতে ওঠে | পরমা মনে মনে ভাবে, "দিনের
কাজরী ফোন রেখে দিলে ওরা চারজন ছাদে বসে গল্পে মেতে ওঠে | পরমা মনে মনে ভাবে, "দিনে...
এই নিমন্ত্রণ কে অগ্রাহ্য করবো আমার সাধ্য কি
এই নিমন্ত্রণ কে অগ্রাহ্য করবো আমার সাধ্য কি
আমার একটা চাকরি খুব দরকার, বুঝলি খুকু? তোর জন্য।"
আমার একটা চাকরি খুব দরকার, বুঝলি খুকু? তোর জন্য।"
ভীষণ সুন্দর!
ভীষণ সুন্দর!
লোকলজ্জা, সমাজ, তার বিধান, নিয়ম কানুন বেশি নাকি তোমার জীবনের দাম বেশি?
লোকলজ্জা, সমাজ, তার বিধান, নিয়ম কানুন বেশি নাকি তোমার জীবনের দাম বেশি?
"পত্রটি আমি ব্যাকুল চিত্তে লিখিয়াছি।সঠিক ব্যাক্তি যেন এটি খুলিয়া দেখে। "
"পত্রটি আমি ব্যাকুল চিত্তে লিখিয়াছি।সঠিক ব্যাক্তি যেন এটি খুলিয়া দেখে। "
ঋদ্ধিমা একরকম বাধ্য হয়েই এসে উঠলো ওর কলেজবেলার বন্ধু অংশুর বাড়ীতে, ভবানীপুরে। একা মানুষ, একলা একটা...
ঋদ্ধিমা একরকম বাধ্য হয়েই এসে উঠলো ওর কলেজবেলার বন্ধু অংশুর বাড়ীতে, ভবানীপুরে। ...
এসময় আমার জীবনে আসে আরেক পরিবর্তন। হৃদয়পুরের মামাবাড়ি ছেড়ে চলে আসি সোদপুরে নিজেদের বাড়িতে। নরেন্দ্রপ...
এসময় আমার জীবনে আসে আরেক পরিবর্তন। হৃদয়পুরের মামাবাড়ি ছেড়ে চলে আসি সোদপুরে নিজেদ...
আজ আর কেউ,কাউকে জড়িয়ে ধরল না। শুধু একে অপরের হাতটা শক্ত করে ধরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে এল।
আজ আর কেউ,কাউকে জড়িয়ে ধরল না। শুধু একে অপরের হাতটা শক্ত করে ধরে সিঁড়ি বেয়ে ওপর...
দাদু-নাতির ভালোবাসা অকৃত্রিম! তমালের জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন তার ঠাকুরদা। সময়ের নিয়মে একদিন তি...
দাদু-নাতির ভালোবাসা অকৃত্রিম! তমালের জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন তার ঠাকুরদা। ...
এক জল ঝড়ের রাতে ওর বাবা মা কে মেরে ফেলেছিল ওর নিজের কাকারাই
এক জল ঝড়ের রাতে ওর বাবা মা কে মেরে ফেলেছিল ওর নিজের কাকারাই
যখন জ্ঞান ফিরল সৌম্যক দেখলো একটা ছোট্ট ঘরের খাটে শুয়ে আছে ও
যখন জ্ঞান ফিরল সৌম্যক দেখলো একটা ছোট্ট ঘরের খাটে শুয়ে আছে ও
সে সন্দেহ করতে শুরু করল যে ফাল্গুনীর বউয়ের সঙ্গে আমার অবৈধ সম্পর্ক চলছে.
সে সন্দেহ করতে শুরু করল যে ফাল্গুনীর বউয়ের সঙ্গে আমার অবৈধ সম্পর্ক চলছে.
আস্তে আস্তে লোকের ভীড় পাতলা হইয়া যাইতেছে, হাজারি একলা বসিয়া রহিয়াছে তাহার প্রিয় গাছতলাটিতে।
আস্তে আস্তে লোকের ভীড় পাতলা হইয়া যাইতেছে, হাজারি একলা বসিয়া রহিয়াছে তাহার প্...
বছর তিনেক আগে পৌষমেলায় সুরঙ্গমার সাথে আলাপ হয়।
বছর তিনেক আগে পৌষমেলায় সুরঙ্গমার সাথে আলাপ হয়।
ঋতুকা দিদি চলে যাচ্ছিলো , যাবার পথে হঠাৎ ঘুরে বললো , তোর বয়স কত হলো আদিত্য ?
ঋতুকা দিদি চলে যাচ্ছিলো , যাবার পথে হঠাৎ ঘুরে বললো , তোর বয়স কত হলো আদিত্য ?
আমার প্রতি কেবল তোমার অসীম ভালোবাসায় নয়, তোমার নিজের ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্যও তুমি আমায় পণ্যা হিসেবে...
আমার প্রতি কেবল তোমার অসীম ভালোবাসায় নয়, তোমার নিজের ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্যও তু...
বান্ধবগড় মোহিতকে ডাকছে কিন্তু অফিসে বিধি বাম। তাহলে উপায় ? ওদিকে ১০০ বছরের পুরনো গ্রামোফোন রেকর্ড কি...
বান্ধবগড় মোহিতকে ডাকছে কিন্তু অফিসে বিধি বাম। তাহলে উপায় ? ওদিকে ১০০ বছরের পুরনো... | [] | [] | 2026-03-07T16:27:30.276Z | ||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/kumaataa-kdaapi-nyy/pb7bf4jl | কুমাতা কদাপি নয় | Bengali Tragedy Story | Rinki Banik Mondal | কথাতেই তো আছে, "কুপুত্র যদাপি হয়, কুমাতা কদাপি নয়।". অনুপ্রেরণাকারী,সামাজিক,সোজা কথা,মা মেয়ের সম্পর্ক. Read Bengali Tragedy Story কুমাতা কদাপি নয় By Rinki Banik Mondal | [
"অনুপ্রেরণাকারী",
"সামাজিক",
"সোজা কথা",
"মা মেয়ের সম্পর্ক"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/1a28fdf225fc625734facb695a3d7bd5.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/kumaataa-kdaapi-nyy/pb7bf4jl | Tragedy
Classics
Inspirational
Tragedy
Classics
Inspirational
কেমন আছ মা? শুনলাম তোমার শরীরটা নাকি খুব খারাপ করেছে। কথাটা শোনার পর ভেবেছিলাম তোমার সাথে গিয়ে একবার দেখা করে আসি, কিন্তু তুমি হয়তো আমায় দেখলে আরো উত্তেজিত হয়ে পড়তে পারো, সেই ভয়ে আর যায়নি। মুঠোফোনের যুগেও তোমায় চিঠি পাঠালাম দেখে অবাক হচ্ছ? আসলে ফোন করবো ভেবেও করিনি, সেই সাহসও হয়নি। তুমি যদি আবার প্রচন্ড রেগে যাও, তখন! আর তুমি তো জানো, তোমার গম্ভীর গলাকে আমি প্রথম থেকেই ভয় পাই। ভয়ে তো আমি গুছিয়ে মনের না বলা কথাগুলো বলতেও পারবো না। তাই ভাবলাম এই চিঠিটাই লিখি।
তোমার ছেলে হঠাৎ একদিন আমায় বিয়ে করে নিয়ে ঘরে তুলেছিল। তুমি তো সেই রাগ করে আমায় বরণটুকুনি পর্যন্ত করলে না। পাশের বাড়ির সুমিতা কাকিমা এসে আমায় বরণ করলো। তুমি তো রাগে দুদিন খাওয়াদাওয়া পর্যন্ত করোনি। মনে পড়ে তোমার? যদিও তারপর তুমি আমার কথাতেই আবার খেয়েছিলে। আমি ভাত মেখে তোমায় খাওয়িয়ে দিয়েছিলাম। সেদিন আমিও কাঁদছিলাম, আর তুমিও কাঁদছিলে। তুমি কেন কাঁদছিলে মা? সেদিন কিন্তু তুমি আর আমায় দূরে ঠেলে দিতে পারোনি। তবে বুকে জড়িয়েও ধরোনি। দুবছর তোমার সাথে ছিলাম। কোনোদিন হেসে আমার সাথে কথা বলোনি, তবে আমি না খেলে ঠিক মুখ ঝামটা দিয়ে খাওয়া করিয়েছ। জ্বর হলে কখনো আমার পাশে এসে দুদন্ড বসোনি, তবে তোমার ছেলেকে দিয়ে ঠিক ডাক্তার দেখিয়ে এনেছ। আমি একলা ঘরে বই পড়তে ভালোবাসতাম দেখে আমায় কত বকেছ, অথচ তুমিই ইচ্ছে করে বাবার ঘর পরিষ্কার করতে আমায় পাঠাতে, যাতে বাবার হাতে সাজানো লাইব্রেরিতে আমি যেতে পারি। বাবা চলে যাওয়ার পর তার ঐ লাইব্রেরিতে তুমি কাউকে ঢুকতে দিতে না, তোমার ছেলেকেও না, কিন্তু আমায় দিতে। তুমি আমার কাছে যতই কড়া হতে চাও, আমি জানি তুমি কি। ভেবেছিলে, কোনোদিনও আমি তোমাকে বুঝব না বলো?
বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই তোমার ছেলে রোজ মদ খেয়ে এসে আমায় মারধর করতো, আমি মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু তুমি কেন সকাল হলেই আমায় গালিগালাজ করতে মা, ঐ বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার জন্য? এমনকি তুমি বলতে পুলিশকে খবর দিলে দাও, তোমরা নাকি ভয় পাও না। আসলেই তুমি পুলিশের ভয় দেখিয়ে তোমার ছেলেকে একটু শায়েস্তা করতে চাইতে তাও আমার আমাকে দিয়ে। কি ভাবছ, আমি এতকিছু জানলাম কি করে? আরে, আমি নিজের কানে শুনেছি একদিন, আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে তুমি তোমার ছেলের গালে সপাটে একটা চড় কষিয়ে বলছিলে, আমায় মারধর না করতে, নাহলে তুমিই নাকি পুলিশে খবর দেবে। আমি সেদিনিই সব বুঝে নিয়েছিলাম মা।
তোমার ছেলে একটা অবৈধ সম্পর্কে জড়িত ছিল, সেটা তোমার বা আমার কারোরই আজানা নয়। তাও নিজের পোড়া কপাল বলে মেনে নিয়েছিলাম। বাপেরবাড়ি ফিরে যাওয়ার মুখ ছিল না যে! সে তো তুমিও জানতে। পড়াশোনা জেনেও আমি নিরুপায় ছিলাম। কোথায় যাব, কি করবো জানতাম। ভাগ্যের পরিহাস বলে মেনে নিয়েছিলাম। তারপরে তো একদিন যা হল, সামান্য রান্নায় একটু নুন কম হওয়া নিয়ে তুমি যা তুলকালাম অশান্তি শুরু করলে, আমাকে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার মত একটা নিষ্ঠুর আদেশ করে বসলে। তোমার ছেলে তো বেশ খুশিই হয়েছিল। নাহলে আরেকজনকে ঘরে তুলতো কি করে! সেদিন তোমাকে এত নিষ্ঠুর হতে দেখে ভয়ে আমার হাত পা ঠান্ডা হয়ে গেছিল। সে যাই হোক, বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার সময় তুমি তো আমার সামনেই এলে না, তবে টুপাই দিদি আমাকে সেদিন জোর করে ওর সাথে নিয়ে গিয়েছিল।টুপাই দিদির বাড়িতেই তো আমার আশ্রয় হল। তবে টুপাইদিদি আমায় বলে দিয়েছে এইসব তুমিই ওকে দিয়ে করিয়েছ। আমার চাকরির জোগাড় তুমিই করিয়ে দিয়েছ লোককে বলে, এমনকি আমার পছন্দের ছোট্ট ফ্ল্যাটটার লোনও তোমার দয়ায় হয়েছে। না দয়া নয়। আশির্বাদ। তুমি যে দেবী। আসলেই তুমি আমাকে নরক থেকে মুক্তি দিয়ে একটা সুন্দর জীবন দান করতে চেয়েছ। তোমার একমাত্র ছেলেকেও তুমি ফেলে দিতে পারোনি। বকেছ, শাসন করেছ, কিন্তু সে শোনোনি। কথাতেই তো আছে, "কুপুত্র যদাপি হয়, কুমাতা কদাপি নয়।"
আমার সাথে বিচ্ছেদের পর তোমার ছেলে আবার বিয়ে করেছে। তোমার ওপরও অত্যাচার করেছে। ভেবেছিলাম এবার প্রতিবাদ করবো, কিন্তু পারিনি, ঐ নতুন বৌটার মুখের দিকে চেয়ে। তার কি দোষ বলো?শুনেছি ঐ মেয়েটাও খুব শান্ত স্বভাবের। বাড়ি,ঘর,ব্যবসা নিজের নামে লিখে নিয়ে তো তোমার ছেলে, তোমায় সপ্তাহ খানেক আগে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়েছে শুনলাম। ও এটা ঠিক করেনি মা। ঠিক করেনি।
মা গো যে কথাটা বলছিলাম, তুমি কি আমার কাছে এসে থাকতে পারবে না মা? আমিও তো তোমার সন্তান। তুমি আবার আমাকে শাসন করবে, আবার আমাকে বকবে। তবে এবার অন্যকে দিয়ে আমার খেয়াল রাখবে না। খেয়াল রাখার হলে তুমি নিজেই আমাকে খাওয়িয়ে দেবে, বই কিনে দেবে, জ্বর হলে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেবে। ও মা দেবে তো বলো?
চিঠির সাথে কিছু টাকা পাঠালাম, কিছু ভালো মন্দ কিনে খেও। আবার টাকা পাঠিয়েছি দেখে রাগ করো না যেন। আমি তোমার অসময়ে দয়া করছি ভেবো না। সন্তানের কর্ম যা, তাই করার চেষ্টা করছি। আর যদি তোমার রাগ না কমে আমায় এসে দুগালে দুখানা থাপ্পড় দিয়ে যেও। আমি কিন্তু রাগ করবো না। বরং তোমাকে কাছে পেয়ে জড়িয়ে ধরবো, তুমি যতই আমায় ছেড়ে চলে যাওয়া্য চেষ্টা করো, আমি কিন্তু তোমায় কোথাও যেতে দেব না।
উপেক্ষা ৩য় পর্ব
উপেক্ষা ৩য় পর্ব
নিঠুর সমাজ
নিঠুর সমাজ
নববর্ষের স্মৃতি
নববর্ষের স্মৃতি
Untitled
Untitled
দিগন্তের ওপার থেকে
দিগন্তের ওপার থেকে
খেলা হবে
খেলা হবে
তমা জানেনা। আজ তার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে আগুন ধরাচ্ছে কে? চিন্ময়? নাকি, অরু... অরণ্য?
তমা জানেনা। আজ তার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে আগুন ধরাচ্ছে কে? চিন্ময়? নাকি, অরু... ...
বাণী হয়তো বুঝতেই পারলোনা ঠিক কতটা সুখী হয়েছে তার বুকের পাঁজর, তার জয়ী
বাণী হয়তো বুঝতেই পারলোনা ঠিক কতটা সুখী হয়েছে তার বুকের পাঁজর, তার জয়ী
শব্দটা বড়ো আপন। ওইটুকু শুনলেই বোঝা যায় আমি আছি। একটা অসম্পূর্ণতা আমাকে মুছে ফেলতে
শব্দটা বড়ো আপন। ওইটুকু শুনলেই বোঝা যায় আমি আছি। একটা অসম্পূর্ণতা আমাকে মুছে ফেলত...
তোমার হাতটা একবার রাখবে আমার হাতের ওপর, বিপ্রদাস ?’
তোমার হাতটা একবার রাখবে আমার হাতের ওপর, বিপ্রদাস ?’
মৃতা মায়ের ছবিটার দিকে অপলকে তাকিয়ে রইলো... এইতো জীবনের আদান-প্রদান, ভালোয়-মন্দে, সু
মৃতা মায়ের ছবিটার দিকে অপলকে তাকিয়ে রইলো... এইতো জীবনের আদান-প্রদান, ভালোয়-মন...
আমার বিশ্বাস তুমি পারবে।
আমার বিশ্বাস তুমি পারবে।
আমি কিন্তু আজও দেখতে পাই
আমি কিন্তু আজও দেখতে পাই
আর দিগন্ত থেকে হয়ত তখনই একটা না বলা কথা উঠে আসতে চায়,কিন্তু পারে না,’তোকে,তোকে,তোকে।‘
আর দিগন্ত থেকে হয়ত তখনই একটা না বলা কথা উঠে আসতে চায়,কিন্তু পারে না,’তোকে,তোকে,ত...
বাড়ি ফিরে সেদিন ছিল খাঁ খাঁ শুন্যতা
বাড়ি ফিরে সেদিন ছিল খাঁ খাঁ শুন্যতা
এক আলোকবর্ষ দূর
এক আলোকবর্ষ দূর
"কলির শোকাচ্ছন্ন চেতনা ঘুরপাক খেতে খেতে ধাক্কা খায় ওদের বেডরুমের দেওয়ালে দেওয়ালে।"
"কলির শোকাচ্ছন্ন চেতনা ঘুরপাক খেতে খেতে ধাক্কা খায় ওদের বেডরুমের দেওয়ালে দেওয়...
"...লাগি লগন পতি সখী সন্....!"
"...লাগি লগন পতি সখী সন্....!"
Sontan sontoti shobar age.... Nijer career er o..
Sontan sontoti shobar age.... Nijer career er o..
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো...
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো... | [] | [] | 2026-03-07T16:27:37.985Z | ||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/shess-raater-atithi/f290pvfj | শেষ রাতের অতিথি | Bengali Horror Story | Suraj Mondal | কোনো রকমে গায়ের চাদর টা মাথামুরি দিয়ে জড়োসড়ো হয়ে বসে কাঁপতে লাগলো নিশা।. প্রতিবিম্ব,ব্লাডি মেরি,রিচুয়াল,রাত তিনটের,গাঁজাখুরি গল্প,ভয়ে,জড়োসড়ো. Read Bengali Horror Story শেষ রাতের অতিথি By Suraj Mondal | [
"প্রতিবিম্ব",
"ব্লাডি মেরি",
"রিচুয়াল",
"রাত তিনটের",
"গাঁজাখুরি গল্প",
"ভয়ে",
"জড়োসড়ো"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/98a76985eafdbd81c0bad80961234b12.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/shess-raater-atithi/f290pvfj | Horror
Romance
Thriller
Horror
Romance
Thriller
ক্রিং...ক্রিং...ক্রিং...ক্রিং...
সৌরিক: “হ্যালো নিশা, আমি সৌরিক, হ্যালো হ্যালো…”
নিশা: “হ্যাঁ বল এত রাতে আবার কি হলো?”
সৌরিক: “নিশা আমি জানি না কি হচ্ছে। কিন্তু আমার ঘরে যেন কিছু একটা আছে।”
নিশা:“মানে! কি বলতে চাইছিস ঘরে আছে মানে কি আছে?”
সৌরিক: “আমি জানি না কি, কিন্তু কিছু একটা আছে আমি অনুভব করতে পারছি।”
নিশা: “কেন বাবু বুঝতে পারছো না তুমি মেরির ফাঁদে পড়েছ। হা হা হা”
নিশা:“হুঁ তা হাসবো না? কত বার বললাম করিস না দেখলি তো বাজে স্বপ্ন দেখে ভয় পাচ্ছিস।
সৌরিক: “দেখ নিশা আমি ভীতু নয়।কিন্তু…”
নিশা: “কিন্তু কি বাবু? মেরি এসেছে বুঝি?
কিন্তু আমি থাকতে যেন কোনো মেরির সাথে কিছু না করা হয়। এই বলে দিলাম। নাহলে কিন্তু আমার থেকে খারাপ কেও হবে না।”
অপর দিক থেকে হটাৎ সৌরিকের এক ভয়ার্ত চিৎকার তারপরেই সব চুপ।
নিশা: “হ্যালো। হ্যালো। হ্যালো সৌরিক।
নম্বর গুলো তাড়াতাড়ি টাইপ আবার ফোন ধরলো নিশা।
(আপনি যে নম্বরে ফোন করছেন সেটি এখন পরিষেবা সীমার বাইরে)
চার-পাঁচ বার করার পরেও সেই একই।
এবার কোনো কিছুর একটা ভয় যেন তাকেও গ্রাস করছে।
আসলে বন্ধু বললে ঠিক বলা হবে না।
সেই যেদিন নিশা প্রথম কলেজে ভর্তি হওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিল তখনই সৌরিক তার এডমিশনের ব্যবস্থাটা করে দেয়। আজ কাল একটু রাজনৈতিক হাত থাকলে যা হয় আরকি। যায় হোক তার পরেই বন্ধুত্ব আর প্রেম। সব ঠিকঠাকই চলছিল।
কিন্তু কিছু দিন হলো সৌরিকের ঝোঁক পড়েছে বিভিন্ন ডেমোনিক রিচুয়াল এর প্রতি।
ইন্টারনেট, আর লাইব্রেরি থেকে সে অনেক সব উদ্ভট রিচুয়াল শিখেছে। কিন্তু প্রায় সবই এমন যা করা খুব একটা সহজ না।
কিন্তু, কালই সে নিশা কে বলে সে নাকি এমন এক রিচুয়াল এর কথা জেনেছে যেটা বাড়িতেই করা যাবে।
নিশা প্রথমেই তাকে না বললেও। সৌরিকের জোরের কাছে তার না আর বেশিক্ষণ টেকে
অবশেষে ঠিক হয় আজ রাতেই তারা দুজন এই রিচুয়াল করবে।
রাত তিনটে বাজলে একটা মোমবাতি নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তিন বার
‘ব্লাডি মেরি’ নাম টা উচ্চারণ করতে হবে। আর তার পরেই আয়নার তাদের প্রতিচ্ছবির পরিবর্তে নাকি এক বীভৎস মহিলার ছবি ফুটে উঠবে।
সেই মতো তারা দুজনেই আজ রাত তিনটের সময় করলেও আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব ছাড়া আর কিছুই তারা দেখতে পাইনি।
কিছু না হওয়ায় নিশাই সৌরিক কে ফোন করে তার এই সব রিচুয়াল যে সব মধ্যযুগীয় গাঁজাখুরি গল্প ছাড়া কিছুই নয় তা বলার জন্য।
তার ঠিক 30 মিনট পর সৌরিকের ফোন।
এতক্ষনে নিশার শরীর ভয়ে অবস হয়ে গেছে।
কোনো রকমে গায়ের চাদর টা মাথামুরি দিয়ে জড়োসড়ো হয়ে বসে কাঁপতে লাগলো নিশা।
কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না সে।
এই সবের মাঝে নিশা দেখতেই পেল না তার সামনের আয়নাই দাঁড়ানো অনাহুত এক অতিথি কে।
ভৌতিক বলে আসলেই কি কিছু হয়, নাকি এটি শুধুই মানুষের মনের ভুল? যদি ভৌতিক বলে কিছু না-ই থাকে, তাহলে আমর...
ভৌতিক বলে আসলেই কি কিছু হয়, নাকি এটি শুধুই মানুষের মনের ভুল? যদি ভৌতিক বলে কিছু ...
একটা প্রাসাদ, রহস্য আর আতঙ্কের খেলা – শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে, জানতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি এর গোপন পথ...
একটা প্রাসাদ, রহস্য আর আতঙ্কের খেলা – শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে, জানতে পারবেন না যতক্ষ...
ট্রেন যাত্রা (অন্তিম পর্ব)
ট্রেন যাত্রা (অন্তিম পর্ব)
মাঝরাতে একটা ছোট স্টেশনে জল ভরতে নেমে বিপর্যয়ের মুখে পড়েন গল্পের কথক। প্ল্যাটফর্মে পা পিছলে পড়ে য...
মাঝরাতে একটা ছোট স্টেশনে জল ভরতে নেমে বিপর্যয়ের মুখে পড়েন গল্পের কথক। প্ল্যাটফ...
অশরীরীর কান্না
অশরীরীর কান্না
কাফনের লাশ ও পথচারি (সত্য ঘটনা অবলম্বনে )
কাফনের লাশ ও পথচারি (সত্য ঘটনা অবলম্বনে )
(ভৌতিক সত্য ঘটনা) বাচ্চা খেকো জীন ও রিক্সা চালক
(ভৌতিক সত্য ঘটনা) বাচ্চা খেকো জীন ও রিক্সা চালক
কালুইগ্রামের বিভীষিকা
কালুইগ্রামের বিভীষিকা
এখন আমার মনে একটাই প্রশ্ন, স্নিগ্ধ লামাকে দেখে ভয় পেয়েছিল? তবে কী
এখন আমার মনে একটাই প্রশ্ন, স্নিগ্ধ লামাকে দেখে ভয় পেয়েছিল? তবে কী
ভয় নেই, মা!" আত্রেয়ীর কন্ঠে আত্মবিশ্বাস, "এ যে মহাকাল
ভয় নেই, মা!" আত্রেয়ীর কন্ঠে আত্মবিশ্বাস, "এ যে মহাকাল
বলল, “তোমার ঘড়িটা বেশ তো। এত মিষ্টি আওয়াজ বড় একটা শুনিনি! আর পেন্ডুলামটাও অদ্ভুত।”... মৃদু হাসলাম...
বলল, “তোমার ঘড়িটা বেশ তো। এত মিষ্টি আওয়াজ বড় একটা শুনিনি! আর পেন্ডুলামটাও অদ্...
একা থাকতে থাকতে মনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সাব্যস্ত হলো
একা থাকতে থাকতে মনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সাব্যস্ত হলো
গদ্রবঙ্গা হাসছে আমায় দেখে!
গদ্রবঙ্গা হাসছে আমায় দেখে!
"...যুক্তিবাদী ডাঃ অনুভব সেনগুপ্তের শিরদাঁড়া বেয়ে এক শিরশিরে শীতল স্রোত নেমে গেলেও, মাঘী শীতেও কপা...
"...যুক্তিবাদী ডাঃ অনুভব সেনগুপ্তের শিরদাঁড়া বেয়ে এক শিরশিরে শীতল স্রোত নেমে গ...
Tantra sadhanaaaaa...
Tantra sadhanaaaaa...
A vivid description of Sikkim, intertwined with a tinge of horror. Ultimately boils down to positive...
A vivid description of Sikkim, intertwined with a tinge of horror. Ultimately bo...
আজ এক কাস্টমারের কাছ থেকে পেমেন্ট আনতে গিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল শুভ, এমনিতেই ওর ঠান্ডা লাগার ধাত ত...
আজ এক কাস্টমারের কাছ থেকে পেমেন্ট আনতে গিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল শুভ, এমনিতেই ও...
চোখদুটো বিচ্ছিরিভাবে বেরিয়ে এসেছে স্প্রিং এর মতো
চোখদুটো বিচ্ছিরিভাবে বেরিয়ে এসেছে স্প্রিং এর মতো
অনিমেষের জেল হলে সুরমা অ্যাডাল্টারির অভিযোগে একতরফা ডিভোর্স পেয়ে গেলো ছমাসের মধ্যে। ফ্ল্যাট থেকে শুধ...
অনিমেষের জেল হলে সুরমা অ্যাডাল্টারির অভিযোগে একতরফা ডিভোর্স পেয়ে গেলো ছমাসের মধ্...
নীল গাউন পরা একটা মেয়ে হাতে ভোজালি নিয়ে বিনুকে কুপিয়ে যাচ্ছে
নীল গাউন পরা একটা মেয়ে হাতে ভোজালি নিয়ে বিনুকে কুপিয়ে যাচ্ছে | [] | [] | 2026-03-07T16:27:43.084Z | ||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/aamaader-bhuli-khubi-dushcintaayy/1culrhbw | আমাদের ভুলি খুবই দুশ্চিন্তায় | Bengali Others Story | Dr.Sanjoy Kumar Mallick | এ এক মহাসমস্যা,স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ানো. চিৎকার চেঁচামেচি,স্বাভাবিক জীবন,কামড়ে,মহাবিপদে,নিয়মিত প্রাচীরের ভেতর,বিকৃত কাম. Read Bengali Others Story আমাদের ভুলি খুবই দুশ্চিন্তায় By Dr.Sanjoy Kumar Mallick | [
"চিৎকার চেঁচামেচি",
"স্বাভাবিক জীবন",
"কামড়ে",
"মহাবিপদে",
"নিয়মিত প্রাচীরের ভেতর",
"বিকৃত কাম"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/5a84e0e1e070af383daeb91814a14df1.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/aamaader-bhuli-khubi-dushcintaayy/1culrhbw | সমস্যা নানা ধরনের এসে হাজির হয়।এমনিতেই করোনা, সামাজিক দুশ্চিন্তা, হিংসা-প্রতিহিংসা নিয়ে দিন কাটছে।আর এক সমস্যা এসে হাজির হয়েছে।বাড়িতে একটি পোষা কুকুর আছে,আমরা তাকে ভুলি বলেই ডাকি।ভুলি,বলে একটা ডাক দেওয়ার অপেক্ষা, যেখানেই থাক এক ছুটে লেজ নাড়তে নাড়তে সামনে এসে হাজির হয়।সারা রাত্রি দরজার সামনে না হয় গোয়াল ঘরে আশ্রয় নেয়।
কিন্তু ভুলিও এখন শান্তিতে নেই।সেই সঙ্গে আমরা পাড়ার সবাইও শান্তিতে নেই।
গোয়াল ঘরে আশ্রয় নেয় বললে ভুল,প্রভুভক্ত টি সারারাত্রি বাড়ি ও গোয়াল ঘর পাহারা দেয়।দিনে বা রাত্রিতে অচেনা কেউ আসলেই ঘেউ ঘেউ করে তাকে তাড়ানোর চেষ্টা করে।অন্যের গরু রাত্রিবেলা গোয়াল ঘরে আসতে পর্যন্ত পারে না।ঘেউ ঘেউ করে সীমানা পার করে দিয়ে আসে।দু-বার ছুটকে চোরকে পর্যন্ত তাড়া করেছে ভুলি।মাঝরাত্রে ঘেউ ঘেউ করছে আর আমাদের প্রাচীরের দরজায় এসে ধাক্কা দিচ্ছে।আমি ভাবলাম,অচেনা কেউ নিশ্চই বাড়ির কাছাকাছি আছে বা ঘোরাঘুরি করছে।হাতে টর্চ ও লাঠি নিয়ে যেই দরজা খুলে বেরিয়েছি,দেখি মুখে গামছা বেঁধে একজন দাঁড়িয়ে আছে।আমি কে ?কে?বলে চিৎকার করতেই চোর দিয়েছে দৌড়।ও বেচারা ফেসে গিয়ে কুকুরের ভয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল,আমার কাছে কুকুরটা আসতেই সুযোগ বুঝে পালিয়ে গিয়েছিল।আমি কিছুটা পিছু নিয়েছিলাম কিন্তু সে ততক্ষণে পগার পার। পরের দিন শুনি, পাশের বাড়ির ধান সেদ্ধ করা কড়াই চুরি হয়ে গিয়েছে।একবার বাড়ির পাশে সাপ বেরিয়েছিল। ব্যস, যতক্ষন না সবাই জুটেছে ততক্ষণ ভুলি চিৎকার করে গিয়েছে।এমন অনেক ঘটনা আছে।
আলুচাষের পর মাঠ পুরো ফাঁকা,জমিতে কোন ফসল নেই,সামা ঘাসে মাঠ ভরে গেছে,সবার গরু,ছাগল চরে বেড়াচ্ছে।একদিন আমাদের দুটো গাই গরু দেখি গোয়ালে নেই,শুনলাম খোলা মাঠে ছাড়া আছে।আমি মাকে জিজ্ঞেস করলাম,গাই গরু গুলোকে কে চরাচ্ছে?যদি অন্য গরু মারপিট করে,কোন দিকে পালিয়ে যায়? তাহলে কি হবে? মা বলল,দেখে আয় কে চরাচ্ছে! মাঠে গিয়ে দেখি রাখাল বা বাগাল হল আমাদের ভুলি।কোন গরু পাশে আসলেই ঘেউ ঘেউ করে তাড়িয়ে দিচ্ছে।আমাদের গাই দুটো দূরের দিকে চলে গেলেই ঘেউ ঘেউ করে ঘুরিয়ে আনছে।অন্য লোকের একটা গরু বাঁধা আছে সেই গরুটা আমাদের গরু গুলোর দিকে এগিয়ে আসে।হালকা মাথায় মাথায় ঘষতে ঘষতে লড়াই লেগে যায়।ভুলি দাঁড়িয়ে সব দেখছিল,লড়াই লাগা দেখে দু-একবার ঘেউ ঘেউ করল,কিন্তু লড়াই থামেনি। কাজ না হতে দেখে ভুলি হটাৎ করে দুজনের মাথার ওপর দিয়ে যেই ঝাঁপ দিয়েছে এমনি দুটো গরুই লড়াই ছেড়ে দু-দিকে ভয়ে পালিয়ে যায়।
বাড়ির পাশাপাশি মাঠেও ওর নজর থাকে,মাঠের জমিতে মজুর কাজ করলে দিনে অন্তত চারবার মাঠ- ঘর যাতায়াত করে ও।বাবা যতবার মাঠ যায় ততবার ভুলি বাবার সঙ্গে যাবেই যাবে।বাবা যতক্ষন মাঠে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ও মাঠেই থাকবে।প্রভু বলে কথা!এখন ভাইপো যেদিকে যায় ভুলি তার সঙ্গে তাকে পাহারা দিতে যায়।কিন্তু দূরত্ব বজায় রেখে থাকে ।সত্যি একটি অবলা প্রাণী মানুষের আদব-কায়দা, ভাষা প্রায় সবই বুঝতে পারে। কর্তব্য পালনে থাকে অবিচল।
আমি ছোটবেলা থেকেই দেখছি আমাদের বাড়িতে সবদিন কোন না কোন একটা পোষা কুকুর থাকেই, এটাও আমাদের সৌভাগ্য।ঠাকুমা বলত,আমার দাদুর একটা পোষা ভুলা ছিল।কেউ বাড়িতে এলে তাকে নির্দেশ দিলে কুকুরটি বাড়ির ভেতর থেকে মুখে করে কম্বল এনে বসতে দিত।আমাদের কয়েক বছর আগে একটা ভুলা ছিল তাকে আমরা কালু বলে ডাকতাম।তাকে বাইরে যেতে বললে সে নিজেই প্রাচীরের দরজা খুলে বাইরে যেত, বেরোনোর পর দরজা লাগিয়ে দিল।
সেই ভুলি এখন পড়েছে মহাবিপদে।বিপদের নাম ভাদ্র মাস।সারা দিন-রাত্রি প্রায় আটটা ভুলা নামক আপদ অন্য পাড়া থেকে এসে হাজির হয়েছে।ভুলি ওদের জ্বালায় অতিষ্ট।যেদিকেই যায় ওকে হয়রান করে মারে।আর আমারাও দিনরাত্রি কুকুরের চিৎকার, ঝগড়াতে অতিষ্ঠ।ভুলিও অতিষ্ট হয়ে প্রাচীরের দরজার কাছে এসে চিৎকার করতে থাকে।বারবার বাড়ির কাউকে দেখলেই ছুটে কাছে পালিয়ে আসে।আর পাগলা কুকুরগুলো কে ঢিলিয়ে, ভয় দেখিয়ে কিছুতেই খেদানো যাচ্ছে না।একটা খেদালে আর একটা এসে হাজির হয়।কখনও আবার একসাথে পাগলা ভুলার দল হাজির হয়।কোন ভয় দেখানোকেই ওরা মানছে না।সিফিলিস রোগে শরীর বা মন আক্রান্ত হলে যে কেউই এমন দিশাহারা হয়ে যায়।কোন ভয় দেখানো,মানসন্মানকে ওরা পরোয়া করে না।এদিকে মারতেও কেমন লাগছে,ফলে ওদের মেরেও তাড়াতে পারছি না।আর ভয় দেখানো কে তো ওরা তুচ্ছজ্ঞান করছে।এমনও হচ্ছে রাত নাই দিন নাই লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।সে যতক্ষন কে ততক্ষণ,লাঠি রেখে বাড়ি ঢুকলেই কুকুরের উৎপাত শুরু।এদিকে ভুলি চারিদিকে ছুটে বেড়ায়।যৌন নির্যাতনে ওর যৌনাঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত নিয়মিত ঔষধ খাওয়াতে হচ্ছে। নিজেকে বাঁচাতে ও মাটি খুঁড়ে গর্ত করে তাতে বসে থাকে।কয়েকদিন যাবৎ কোন কিছুতেই জ্বালাতন থেকে ও রক্ষা পাচ্ছে না।অগত্যা রাত্রি প্রায় একটার সময় উঠে ওকে আমাদের আর একটা বাড়ির প্রাচীরের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দরজায় চাবি লাগাই। ভুলি এমনিতে আমাদের মেন বাড়ির প্রাচীরের ভেতরে প্রবেশ করতে চায় না।অগত্যা পাশে থাকা আমাদের আর একটা বাড়ির প্রাচীরে ডেকে ভেতরে রেখে চাবি লাগাতে হয় তবে পাগলা ভুলার দল চুপ করে পালিয়ে যায়।সারা রাত্রি শান্তিতে ঘুমানো যায়। আর কোন চিতকার চেঁচামেচি নেই।সব শান্ত। এভাবেই এখন ভুলি নিয়মিত প্রাচীরের ভেতর থাকবে যতদিন না ভাদ্র মাসের পরিবেশ নষ্ট হয়।
এ এক মহাসমস্যা,স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ানো,
ভুলির নিজের মতো করে জীবন কাটানোকে ভাদ্র মাসের বিকৃত কাম রোগে আক্রান্ত ভুলার দল গুরুত্ব দিচ্ছে না।তার ইচ্ছা অনিচ্ছাকে অগ্রাহ্য করে তার স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করছে ও তার আশ্রয়দাতাদের,পাড়ার লোকের ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে। হালকা শাসনকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বরং আরো বেশি আগ্রাসী হয়ে উঠছে।এদিকে
মারধোর করলেও ভুলাদের সাপোর্টাররা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেবে। কামড়ে দিতেও পারে।তাতেও মহাবিপদ।অগত্যা সব দিক ভেবে ভুলির নিরাপত্তার জন্য ভুলিকেই নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা করতে হল বা গৃহবন্দি করতে হল।আজ দেখলাম ওর দুই চোখের কোনে জল গড়াচ্ছে। | [] | [] | 2026-03-07T16:27:50.460Z | ||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/shrter-lekhaa/5iu5jgq9 | বোধন | Bengali Classics Story | Sanhita Ghosal | ও বুঝতে পারল উমার বোধন শুরু হয়েছে,মানস চোখে দেখতে পেল উমা ক্রমশ এক হয়ে যাচ্ছে ঐন্দ্র. শরতের হাসি,রং ও পেন্সিল,বিডিও,বয়স্ক ভদ্রমহিলা,নতুন কিছু,অফিস বন্ধ | [
"শরতের হাসি",
"রং ও পেন্সিল",
"বিডিও",
"বয়স্ক ভদ্রমহিলা",
"নতুন কিছু",
"অফিস বন্ধ"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/89b75a6908faa92e3770edbababe653b.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/shrter-lekhaa/5iu5jgq9 | Classics
Inspirational
Children
Classics
Inspirational
Children
রতন ছোট্ট রেডিও নিয়ে ভোরবেলায় উঠে মহিষাসুরমর্দিনী শুনতে শুরু করল। এবছর মহালয়া ও পুজোর মধ্যে এক মাসের তফাৎ। বছরের প্রথমে রতনের মনে তাই বেশ আনন্দ ছিল।বকুলপুর গাঁয়ের যে চারটি পুজো হয় সব ঠাকুরই রতনের হাতে তৈরী। পুজোর চারদিন মেয়ে উমাকে নিয়ে প্রতিটি মন্ডপে হাজির হয় রতন,বাবা-মেয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখে গাঁয়ের কত লোক ভক্তিভরে দেবীর আরাধনা করছে। রতনের ঐ চারদিন মনটা ভরে থাকে,শিল্পী রতনের স্বপ্ন বকুলপুরের মাটির বাড়ির চারদেয়ালে হারিয়ে গেলেও পটুয়া রতন ও চারদিন সকলের দ্বারা সমাদৃত হয়, শ্রদ্ধা পায়। এইটুকু পটুয়া রতনের সারা বছর বেঁচে থাকার অক্সিজেন। কিন্তু এই বছর কি যেন একটা ভাইরাস পটুয়া রতনের সবটুকু খুশী ছিনিয়ে নিয়েছে। তাই রেডিওর শব্দে ওর দু চোখ জলে ভরে ওঠে।একটাও পুজোর বায়না এবার পায়নি। আশায় ছিল বটতলার বড় পুজো অন্তত এবার হবে। কিন্তু কোথায় কি গত পরশু পুজো কমিটির সদস্যরা এসে জানিয়ে গেলেন মূর্তি নয় বরং ঘটে ও ছবিতে পুজো হবে এবং পুজোর জন্য বরাদ্দ অর্থ লক ডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দেওয়া হবে সাহায্যের জন্য। রতন একবুক কষ্ট নিয়ে বলেছিল,"দাদা গো, তাই হোক। মানুষের এত কষ্ট দেখা যায় নে। তোমরা ভালো করেচ।"পুজো কমিটির সভাপতি গোপাল দাস রতনের করুণ মুখের দিকে চেয়ে কোনো রকমে বলেছিলেন,"ভাই পরের বছর দ্বিগুণ টাকা দিয়ে তোমার কাছ থেকে ঠাকুর নিয়ে যাব।"রতন শুধু অর্থহীন হাসি হেসেছিল। শেষ আশাটুকু কফিন বন্দী হয়ে গেল।
রেডিও শুনতে শুনতে রতন লক্ষ্য করল উমা ঘুম থেকে উঠে চোখ দুটো ঘষছে। বিছানার কাছে গিয়ে ছোট্ট উমাকে কাছে টেনে নিল।অন্য বছরগুলোয় উমা এতক্ষণে কত প্রশ্ন করত,"বাবা দূর্গা মা কী করে ওত অস্ত্র পেলে?"কিন্তু এই বছর একেবারে চুপ। পরিস্থিতি বুঝে হয়তো চুপ আছে।লতা মানে রতনের বউ দুই কাপ চা আর কয়েকটা বিস্কুট নিয়ে রেডিওর সামনে বসল। তিনটি মানুষের মাঝে জড় বস্তুটি একাগ্র ভাবে মহিষাসুরমর্দিনী শুনিয়ে চলেছে। আকাশের পেঁজা তুলোর মত মেঘ ভেদ করে কখন সূর্যোদয় হয়েছে তা ওরা খেয়াল করে নি।অসুর বধের সঙ্গে সঙ্গে যখন রেডিওতে শঙ্খধ্বনি হচ্ছে তখন লালমাটির পথ ধরে সাদা রঙের একটি স্করপিও গাড়ি ওদের ঘরের কাছে এসে দাঁড়াল। ওরা তিনজন ঘর থেকে বেরিয়ে এগিয়ে গেল গাড়িটার দিকে। গাড়ি থেকে নেমে এলেন সিল্কের শাড়ি পরিহিতা একজন ভদ্রমহিলা, চোখে রোদ চশমা।রোদ চশমা খুলে ওদের জিজ্ঞাসা করলেন,"রতন পাল আছেন? একটু ডেকে দেবেন।"
-"আমি ঐন্দ্রী রায়,এই ব্লকের নতুন বিডিও। এখানে কে দূর্গা মূর্তি তৈরী করেন বলতে সকলে আপনার কথা বলল। তাই এলাম।"
-"হুম, ছোট মূর্তি,যাতে আমি গাড়ি করে নিয়ে যেতে পারি। আসলে আমার মায়ের ইচ্ছা পুজো করবেন।এই বছরে আমি প্রথম চাকরি পাই।তাই মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতে প্রথম খোঁজ আমার কর্মক্ষেত্রে করি। "
-" তা ভালো করিচেন।ও লতা,টুল দে দিদিমণিকে।"
-" না না লাগবে না দাদা। আমি পঞ্চমীর দিন এসে নিয়ে যাব।আর কোনো অসুবিধা হলে আমাকে এই নম্বরে ফোন করে নিতে পারেন।"কথাগুলো শেষ করে ঐন্দ্রী একটি কাগজের টুকরো রতনের হাতে দিল।
রতন অদ্ভুত বিস্ময়ে কাগজের টুকরো খানি নিল। কাগজের টুকরো হাতে রতনের চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে আসে। ওদিকে ঐন্দ্রী ততক্ষণে ওদের দিকে বিদায়সূচক হাত নাড়তে নাড়তে গাড়ির দিকে এগিয়ে গেল। রতনের গোটা পরিবার তখন চেয়ে আছে ঐন্দ্রীর চলে যাওয়া পথের দিকে।তবে কি ঐন্দ্রী দিদিমণির মধ্যে দিয়ে দেবী এলেন?সে যাই হোক, এই দূর্দশায় যেটুকু কাজ পাওয়া গেছে তাকেই আঁকড়ে ধরে বাঁচার লড়াই শুরু করতে হবে।
পরের দিন থেকে রতনের ঘরে ব্যস্ততা শুরু।মাটি আনা,খড় বাঁধা, কাঠামো তৈরী, রং গোলা সব কিছু একমনে করে চলেছে।আর তার কাজের সঙ্গী হল মেয়ে উমা। একখানি খাতা নিয়ে মাটির মেঝেতে বসে খাতায় দূর্গা ঠাকুর আঁকছে আর বাবাকে ঠাকুর তৈরীতে সাহায্য করছে।সব কিছুর মধ্যে লতা লক্ষ্য করেছে রতন আজকাল যেন একটু আনন্দে আছে।আর হবে নাইবা কেন কাজ হারিয়ে দিনের পর দিন রতনকে ভিতরে ভিতরে ভেঙে যেতে দেখেছে ও। প্রতিদিন রতনের কাজের ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে ও দেখেছে শুকনো হয়ে যাওয়া মাটি, রং, নষ্ট হওয়া কাঠ। এগুলো বড় কষ্ট দিত। অবশেষে মা দূর্গা এলেন ওদের ঘরে। সারাদিনে কাজের মাঝে লতা দেখে আসে কি সুন্দর করে ছোট্ট দূর্গা ঠাকুর তৈরী করছে রতন।
দেখতে দেখতে মা দূর্গা ডাকের সাজে সজ্জিতা হলেন। এবার অস্ত্রে সুসজ্জিতা হওয়ার পালা। গ্রামের বহু জায়গায় খোঁজ করে ছোট অস্ত্র পেল না। অগত্যা একদিন ভোরবেলায় সাইকেল নিয়ে রতন রওনা দিল শহরে। সারাদিন ঘোরাঘুরি করে একটি দোকানে ছোট অস্ত্র পেল। দিনের শেষে ক্লান্ত শরীরে যখন ঘরে ফিরল লতা লক্ষ্য করল রতনের শরীর জুড়ে ক্লান্তি থাকলেও মুখে যুদ্ধ জয়ের হাসি।পরের দিন সকালে উঠে স্নান করে পরিষ্কার জামা গায়ে দিয়ে দেবীকে অস্ত্রে সজ্জিত করতে শুরু করল।উমাও বাবা পাশে বসে একমনে লক্ষ্য করছে সব কিছু। হঠাৎ করে রতন লক্ষ্য করল দূর্গার ত্রিশূল বাঁকা। অনেক চেষ্টা করল ঠিক করার। কিন্তু কিছুতেই পারল না।লতাও ওদের পিছনে দাঁড়িয়ে সব কিছু দেখছিল।এই অবস্থা দেখে ও খানিক চিন্তিত হল। ঠিক তখনই বাবা -মাকে অবাক করে দিয়ে উমা ছোট্ট হাত দুখানি দিয়ে ত্রিশূল খানিকটা সরিয়ে দিল অসুরের বুকে।আর বাবাকে বলল,"এইখানে লাল রং একটু দিয়ে দাও। ত্রিশূল বিঁধেছে তো তাই।"যে জায়গা উমা দেখালো রতন লক্ষ্য করল ঐ জায়গায় সত্যি লাল রং দেওয়া হয়নি।ঐ টুকু মেয়ের বুদ্ধি আছে,সবে তো দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে। রতন তুলি দিয়ে লাল রং করে দিল। উমার আনন্দ আর ধরে রাখা যাচ্ছে না তখন।খালি পায়ে উঠানে বার কয়েক চক্কর কেটে আবার গিয়ে বসল ঠাকুরের সামনে। রতনের মনে শান্তি যাক যে কাজ দিদিমণি দিয়েছেন তা ও করতে পেরেছে।
পঞ্চমীর দিন সকালে সেই সাদা রঙের স্করপিও আবার এলো ওদের ঘরের সামনে। রতন লতাকে বলে নাড়ু করিয়ে রেখেছিল ঐন্দ্রী দিদিমণির জন্য। কিন্তু কোথায় কি, গাড়ি থেকে নেমে এলেন ঐন্দ্রী দিদিমণির ড্রাইভার। কাছে এগিয়ে এসে বললেন,"ম্যাডাম আমাকে ঠাকুর নিয়ে যেতে বলেছেন।"রতন খানিকটা হতাশ হল। তারপর ড্রাইভারের সঙ্গে ধরাধরি করে গাড়িতে তুলে দিল ঠাকুর।লতা শঙ্খধ্বনি করল। গাড়ি চলে যাওয়ার পর রতনের কাজের ঘরে শুধু নিস্তব্ধতা।উমা খাতায় একমনে কী যেন এঁকে চলেছে।লতা কাজে ব্যস্ত। শুধু রতনের মনে অস্থিরতা। হাতে একটাও টাকা নেই যে মেয়েকে নতুন জামা কিনে দেবে।
ষষ্ঠীর দিন বটতলার ঠাকুর দালানে ঢাকের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল ওদের। রতনের মনে কষ্ট, হাতে একটু টাকা এল না।এই সব ভাবতে ভাবতে চায়ের কাপে চুমুক দিতে গিয়ে লক্ষ্য করল সেই সাদা গাড়ি আবার আসছে রতন প্রমাদ গুণল, তাহলে কি ভুল হয়েছে কিছু? গাড়ি থেকে নেমে এলেন ঐন্দ্রী দিদিমণি সাথে একজন বয়স্ক ভদ্রমহিলা। বয়স্ক ভদ্রমহিলাকে দেখিয়ে ঐন্দ্রী বলল,"দাদা মা দেখা করতে চাইলেন।তাই আনলাম ।"ভদ্রমহিলা তখন মৃদু হেসে বললেন,"মেয়ের কাছে আবদার করেছিলাম পুজোর জন্য।আপনি খুব সুন্দর প্রতিমা গড়েছেন। আপনারা সবাই আসুন আমাদের বাড়িতে পুজো দেখতে।"রতন কথাগুলো শুনে সম্মতিসূচক মাথা দোলালো।
ঐন্দ্রী বলল,"দাদা কাল খুব ব্যস্ত ছিলাম অফিস বন্ধ হবে তো তাই।আজ এলাম আপনার কাজের মূল্য দিতে।এই নিন পনেরো হাজার টাকা আর আপনাদের জন্য কিছু এনেছি। নিতে হবে ওগুলো।" এই বলে ও ব্যাগে করে আনা নতুন জামা কাপড় রতনের হাতে দিল।উমাকে কাছে টেনে গাল টিপে বলল,"বাবা-মাকে সঙ্গে করে এসো কিন্তু আর রং ও পেন্সিল দিয়ে সুন্দর করে ছবি আঁকবে কেমন।"বলে ওর হাতে রং এর খাতা, পেন্সিল ধরিয়ে দিল। লতা নাড়ু আর জল দিল।নাড়ু মুখে নিয়ে ঐন্দ্রী বলল,"আমার সাথে নাড়ু গড়তে এসো কিন্তু।"লতা মাথা নেড়ে হাসল। মুখে তখন শরতের হাসি। ঐন্দ্রী চলে যাওয়ার পর রতন উমাকে কোলে তুলে বলল,"অনেক বড় হতে হবে মা তোকে।"
-" ঠিক ঐন্দ্রী দিদির মত ,বিডিও।"
রতনের দু চোখ ঝাপসা হয়ে এল। উমার মাথায় স্নেহের স্পর্শ করে অস্ফুটে বলল,"পাশে থাকব মা",রতন বুঝতে পারল উমার বোধন শুরু হয়েছে,মানস চোখে দেখতে পেল উমা ক্রমশ এক হয়ে যাচ্ছে ঐন্দ্রীর সাথে,ক্রমশ পরাস্ত হচ্ছে দারিদ্র্যাসুর আর বৃদ্ধ রতন অনেক কিছু না পাওয়ার মাঝে নতুন কিছু পাওয়াকে খুঁজে নিচ্ছে।
জীবন যুদ্ধ
জীবন যুদ্ধ
থিম পুজো
থিম পুজো
রুমমেট
রুমমেট
অন্তরাল - সপ্তম পর্ব
অন্তরাল - সপ্তম পর্ব
কথা রাখা
কথা রাখা
ডাইরির সেই পাতা গুলো
ডাইরির সেই পাতা গুলো
স্বপ্নের গৃহ
স্বপ্নের গৃহ
মেধার দৈন্যতা
মেধার দৈন্যতা
দিদির ওষুধ
দিদির ওষুধ
পুরুষ দেহব্যবসা (পঞ্চম পর্ব)
পুরুষ দেহব্যবসা (পঞ্চম পর্ব)
সালিশি
সালিশি
স্বার্থ
স্বার্থ
আমার গরীব মাস্টার বাবার তিন সন্তান তাদের নিজেদের দমে কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি জুটিয়ে
আমার গরীব মাস্টার বাবার তিন সন্তান তাদের নিজেদের দমে কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি জুট...
কৃষ্ণেন্দু ফোন পেল কিছুক্ষণ পর। সুতপা বিশ্ব জয় করার উচ্ছ্বাসে বলল, তুমি কোথায়? শীগগির
কৃষ্ণেন্দু ফোন পেল কিছুক্ষণ পর। সুতপা বিশ্ব জয় করার উচ্ছ্বাসে বলল, তুমি কোথায়? শ...
"কিন্তু তুই নিজেই তো তৃতীয় রিপু থেকে মুক্ত নোস।"
"কিন্তু তুই নিজেই তো তৃতীয় রিপু থেকে মুক্ত নোস।"
আপনার ভাগ্য ভালো ডোনার পাওয়া গেছে
আপনার ভাগ্য ভালো ডোনার পাওয়া গেছে
সবারই তো অধিকার আছে সুস্থ, সুন্দর ভাবে বাঁচার।
সবারই তো অধিকার আছে সুস্থ, সুন্দর ভাবে বাঁচার।
"..বয়সবিহীন অনন্ত ভালোবাসা দুলছে।"
"..বয়সবিহীন অনন্ত ভালোবাসা দুলছে।"
"একদম দক্ষ অভিনেতার মত।বিশাল এই পৃথিবীর বিচিত্র রঙ্গমঞ্চে।"
"একদম দক্ষ অভিনেতার মত।বিশাল এই পৃথিবীর বিচিত্র রঙ্গমঞ্চে।"
"....বৃথা চেষ্টা মানবতাকে খুঁজে পাওয়ার, আর এক অচেনা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার অপমৃত্যুর জীবন্ত জ্বলন্ত দলি...
"....বৃথা চেষ্টা মানবতাকে খুঁজে পাওয়ার, আর এক অচেনা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার অপমৃত্যু... | [] | [] | 2026-03-07T16:27:56.539Z | ||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/tinni-aar-maammaam-prb-8/8musg6al | তিন্নি আর মামমাম ( পর্ব ৮) | Bengali Children Stories Story | Aparna Chaudhuri | তিন্নিও ভেসে চলল মামমামের সঙ্গে সেই ভিন গাঁয়ের মেয়েটার দেশে. ডাক্তার,মামমাম,তিন্নি,সুদুরপসারি দৃষ্টি,ভিন গাঁয়ের,শ্বশুরবাড়ী,আশ্রমে. Read Bengali Children Stories Story তিন্নি আর মামমাম ( পর্ব ৮) By Aparna Chaudhuri | [
"ডাক্তার",
"মামমাম",
"তিন্নি",
"সুদুরপসারি দৃষ্টি",
"ভিন গাঁয়ের",
"শ্বশুরবাড়ী",
"আশ্রমে"
] | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/tinni-aar-maammaam-prb-8/8musg6al | আজ সকাল থেকে বাড়ীতে সাজো সাজো রব। আজ মামমাম হাসপাতালে যাবে চেকআপের জন্য। বাবা কাল সন্ধ্যায় অফিস থেকে এসে মামমামকে বলল,” ঠাম্মা কাল সকাল নটার সময় তৈরি থেকো। কাল হাসপাতালে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া গেছে। আমি কাল তোমাকে নিয়ে যাবো।“
মামমাম ভোরবেলা থেকে উঠে পড়েছে। নানা রকমের রান্না করতে শুরু করে দিয়েছে। আটা ভাজা, সুজির হালুয়া, নরম নিমকি। সারা ঘরে ছড়িয়ে আছে খাবার।
বাবা সকাল সাতটা নাগাদ ঘুম থেকে উঠে মামমামের ঘরের দিকে গিয়ে কাণ্ড দেখে অবাক।
“ তুমি সকাল থেকে উঠে কি করছ ঠাম্মা?”
“ খাবার বানাচ্ছি রে। আজ আমরা যাবো না?”
“ ঠাম্মা ... আমরা বেড়াতে যাচ্ছি না। হাসপাতাল যাচ্ছি। ওখানে খাবার নিয়ে গিয়ে আমরা পিকনিক করবো নাকি?“
“ আরে বাবা আমি জানি, ওখানে অনেকক্ষণ বসতে হবে। তখন খিদে পাবে।“
“ না , বসতে হবে না । আর ওখনে খাবার নিয়ে যাওয়া মানা।“
“ তুমি তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নাও। আমি কিন্তু ঠিক নটার সময় বেরবো। “
বাবা এইসব বলে ঘরে এসে মা কে বলল,” তুমি একবার যাও তো ঠাম্মার ঘরে। ওনাকে তৈরি করে দাও । আমার মনে হয় নটার মধ্যে তৈরি হয়ে ঠাম্মা বেরতে পারবে না। “
মা গিয়ে মামমামকে পরিষ্কার শাড়ি পরিয়ে চুল বেঁধে, মুখে ক্রিম মাখিয়ে তৈরি করে দিল। মামমাম সেজেগুজে জপের মালা হাতে লাজুক লাজুক মুখে বেরিয়ে এলো। ঠিক নটার সময় বাবা একটা ট্যাক্সি ডেকে মামমামকে নিয়ে হাসপাতাল চলে গেল।
তিন্নি দুএকবার যাবার জন্য জেদ ধরেছিল কিন্তু ওখানে গেলেই ডাক্তাররা ইনজেকশন দিয়ে দেয় শুনে আর জেদ করে নি।
বাবা আর মামমাম ফিরে এলো প্রায় বেলা তিনটে। মামমাম চুপচাপ নিজের ঘরে ঢুকে গেল। পিছন পিছন তিন্নি।
“ তোমাকে ইনজেকশন দিল? ব্যথা লাগলো?”
“ না দিদি। ওরা দেয় নি আমি বললাম আমি বুড়ো মানুষ তোমরা আমায় ছেড়ে দাও। তো ওরা ছেড়ে দিল।“
“ হ্যাঁ । এখন আমায় ছুঁয়ো না। আমি আগে চান করি , কাপড় কাচি তারপর ... কেমন?”
“হাসপাতালে কত রকমের রোগ ... তুমি এখন ঘরে মায়ের কাছে যাও একটু পরে এসো দিদি।“
তিন্নি লাফাতে লাফাতে নিজের ঘরের দিকে যেতেই শুনল বাবা খুব রেগে গেছে।
বাবা বলছে,” আর কোথাও আমি ঠাম্মাকে নিয়ে যাবো না। এমন কাণ্ড করে...”
মা বাবাকে শান্ত করার জন্য বলল,” ছাড়ো না , বুড়ো মানুষ।“
“ না বুড়ো মানুষ বললে হয় না। ওখানে গিয়ে কি করেছে জানো?”
“ যে ডাক্তার ঠাম্মাকে চেকআপ করছিল তার বিয়ের সম্বন্ধ করতে শুরু করেছে।“
“ আরে আর বলছি কি। প্রথমে তাকে জিজ্ঞাসা করল , ‘তোমার বিয়ে হয়েছে বাবা?’ তারপর তার নাম জিজ্ঞাসা করলো। তারপর বয়স, বাড়ী কোথায়। সে বেচারি খুব অপ্রস্তুত হয়ে পড়ছে। আর ঠাম্মার মত বয়স্ক মহিলাকে কিছু বলতেও পারছেনা। “
“ হ্যাঁ । আর কি করবে? বলেও কি নিস্তার আছে? তারপর শুরু হল সেই মেয়ের রূপ আর গুণের বর্ণনা।“
“ ওনার বন্ধুর নাতনি। এই মহিলা ঠাম্মার সঙ্গে ওনার আশ্রমে থাকে। “
তিন্নি মন দিয়ে সব শুনল। তারপর চুপিচুপি চলল মামমামের কাছে।
মামমাম তখন চান করে কাপড় কেচে এসে সবে বসেছে। ওর কথা শুনে মামমাম মুচকি হাসল,” সম্বন্ধ করে তো বিয়ে হয়। ছেলের বাড়ীর থেকে মেয়েকে দেখতে আসে। পছন্দ করে তারপর বিয়ে হয়। “
“ তারপর মেয়েরা সেজেগুজে , বেনারসি পরে , গয়না পরে শ্বশুরবাড়ী চলে যায়।“
মামমামের মনটা অনেকদূরে ভেসে গেল। চোখে সুদুরপসারি দৃষ্টি। মামমাম যেন কোন দূর দেশে চলে গেছে। ওর গলাটা যেন অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে। তিন্নিও ভেসে চলল মামমামের সঙ্গে সেই ভিন গাঁয়ের মেয়েটার দেশে। | [] | [] | 2026-03-07T16:28:03.976Z | |||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/bibhiissikaamy-dupur/km1e7r3x | বিভীষিকাময় দুপুর | Bengali Drama Story | নন্দা মুখার্জী | কবির কল্পনা আর প্রেমিক মানুষের মনে বৃষ্টি যতই নয়নাভিরাম হোকনা কেন আমার কাছে তা বিভীষিক. প্রেম,বিরহ,জীবন,কলেজ জীবন,কবির কল্পনা,নয়নাভিরাম,পথচারী. Read Bengali Drama Story বিভীষিকাময় দুপুর By নন্দা মুখার্জী | [
"প্রেম",
"বিরহ",
"জীবন",
"কলেজ জীবন",
"কবির কল্পনা",
"নয়নাভিরাম",
"পথচারী"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/d3373e83f7b6031eb2e5a8ba3f60f871.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/bibhiissikaamy-dupur/km1e7r3x | Drama
Romance
Tragedy
Drama
Romance
Tragedy
কিন্তু কোথায় পাবো তারে?সে যে হারিয়ে গেছে এমনই এক ঝড় বাদলের দিনে।হয়তো কবি না হলে বর্ষার দিনের কথা অনুভব করা সম্ভব নয়।কিন্তু আমার জীবনে বর্ষা আসে বেদনার অশ্রু হয়ে।চোখের জল আর বৃষ্টির জল মিলেমিশে এক হতে।বাইরে যখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ে তখন আমার হৃদয় গভীরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়;থাকেনা কোন ভাবনা চিন্তা,থেকে যায় একটা ব্যথার অনুভূতি। যে ব্যথা থেকে আমি আজীবন বেরোতে পারবোনা।
মানুষের জীবনের পরিসর ক্ষুদ্র।এই ক্ষুদ্র জীবনের প্রতিটা দিনই নানান বৈচিত্র্যপূর্ণ ঘটনা ঘটে । কিছু ঘটনা মনে এমনভাবে গেঁথে যায় শত চেষ্টা করেও তাকে ভুলা যায়না।এইসব ঘটনা বারবার অতীতে টেনে নিয়ে যায়।
স্মৃতির খাতায় ময়লা জমলে অক্ষরগুলো হয় অস্পষ্ট।কিন্তু মুছে কোনটাই যায়না।মাঝে মাঝে কোন বিস্মৃত নাম কখনো বা বিস্মৃত ঘটনা মনের মধ্যে জেগে ওঠে।স্মৃতির বাসরে প্রত্যেকের জীবনই ঘটনাবহুল।কিছু কিছু ঘটনা চির অম্লান।
তখন আমি ফাষ্ট ইয়ারে পড়ি।কলেজের প্রথম দিন থেকেই অনিকেত আমার খুব ভালো বন্ধু।মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই এই বন্ধুত্বের গণ্ডিটা পেরিয়ে আমরা কাছকাছি চলে আসি।
একদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি যতদূর দৃষ্টি যায় সমস্ত আকাশটা কালো মেঘে ছেয়ে আছে।ঘোলাটে এক পাংশু আকাশ।মা কলেজে বেরোতে নিষেধ করলেন।কিন্তু আমি জানি এই বৃষ্টির মধ্যেও অনিকেত কলেজে আসবেই।ট্রেন লেট থাকলে তার হয়তো একটু দেরি হবে কিন্তু কোন অবস্থাতেই সে কলেজ কামাই করবেনা।মাকে বললাম,'আজ কলেজে যেতেই হবে মা।'
মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা মাথায় কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।চুড়িদার ভিজে চপচপে।কলেজে পৌঁছে দেখি আমার আগেই অনিকেত এসে গেছে।উপস্থিতির হার এতোটাই কম ছিলো প্রথম ক্লাসটা কোনমতে হয়েই কলেজ ছুটি হয়ে যায়।
আমি ও অনিকেত দু'জনে দু' টি ছাতা মাথায় রাস্তা পার হয়ে চপ খাওয়ার জন্য কলেজ থেকে বেরিয়ে পড়লাম।আমি বেশ কিছুটা এগিয়ে গিয়ে হঠাৎ 'গেলো' ' 'গেলো' একটা চিৎকার শুনে পিছন ফিরে দেখি অনিকেতের উপর এক ইলেকট্রিক তার ছিড়ে পড়েছে কিছুটা সময় সে ছটফট করে নিস্তেজ হয়ে পড়লো।আমি দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছি হঠাৎ সেখানে জড় হওয়া কিছু পথচারী আমায় আটকে দিলো।অসহায়ের মত ছটফট করতে লাগলাম।খবর দেওয়া হল ইলেকট্রিক অফিসে।বৃষ্টি থামলে তারা আসলো।ঘন্টা দুয়েক ভিজে কাপড়ে চোখের জল আর বৃষ্টির জলের ধারা এক করে এক দৃষ্টিতে অনিকেতের ওই নিস্তেজ শরীরটার দিকে তাকিয়ে বসে থাকা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিলোনা।
এই ঘটনার পর জীবন আরও বিশটা বছর এগিয়ে গেছে।দু'সন্তানের মা আমি।ভুলতে পারিনি আজও অনিকেতকে।কোনদিন ভুলতে পারবোও না।কিন্তু এই বৃষ্টির দিনে যেন আরও বেশি করে মনে পড়ে তার কথা।জীবন হয়তো কারও জন্যই থেমে থাকেনা।না,আমার জীবনও থেমে নেই।কিন্তু যে ক্ষতটা বিশ বছর আগে সৃষ্টি হয়েছে সেটা আজও একই রকম রয়ে গেছে।কবির কল্পনা আর প্রেমিক মানুষের মনে বৃষ্টি যতই নয়নাভিরাম হোকনা কেন আমার কাছে তা বিভীষিকাময়।
ছেলেবেলা
ছেলেবেলা
আজকের দিনে সৎ, সাধারণ ভালো মানুষই বা কোথায় পাওয়া যায়, তাই না?
আজকের দিনে সৎ, সাধারণ ভালো মানুষই বা কোথায় পাওয়া যায়, তাই না?
কাজরী ফোন রেখে দিলে ওরা চারজন ছাদে বসে গল্পে মেতে ওঠে | পরমা মনে মনে ভাবে, "দিনের
কাজরী ফোন রেখে দিলে ওরা চারজন ছাদে বসে গল্পে মেতে ওঠে | পরমা মনে মনে ভাবে, "দিনে...
এই নিমন্ত্রণ কে অগ্রাহ্য করবো আমার সাধ্য কি
এই নিমন্ত্রণ কে অগ্রাহ্য করবো আমার সাধ্য কি
আমার একটা চাকরি খুব দরকার, বুঝলি খুকু? তোর জন্য।"
আমার একটা চাকরি খুব দরকার, বুঝলি খুকু? তোর জন্য।"
ভীষণ সুন্দর!
ভীষণ সুন্দর!
লোকলজ্জা, সমাজ, তার বিধান, নিয়ম কানুন বেশি নাকি তোমার জীবনের দাম বেশি?
লোকলজ্জা, সমাজ, তার বিধান, নিয়ম কানুন বেশি নাকি তোমার জীবনের দাম বেশি?
"পত্রটি আমি ব্যাকুল চিত্তে লিখিয়াছি।সঠিক ব্যাক্তি যেন এটি খুলিয়া দেখে। "
"পত্রটি আমি ব্যাকুল চিত্তে লিখিয়াছি।সঠিক ব্যাক্তি যেন এটি খুলিয়া দেখে। "
ঋদ্ধিমা একরকম বাধ্য হয়েই এসে উঠলো ওর কলেজবেলার বন্ধু অংশুর বাড়ীতে, ভবানীপুরে। একা মানুষ, একলা একটা...
ঋদ্ধিমা একরকম বাধ্য হয়েই এসে উঠলো ওর কলেজবেলার বন্ধু অংশুর বাড়ীতে, ভবানীপুরে। ...
এসময় আমার জীবনে আসে আরেক পরিবর্তন। হৃদয়পুরের মামাবাড়ি ছেড়ে চলে আসি সোদপুরে নিজেদের বাড়িতে। নরেন্দ্রপ...
এসময় আমার জীবনে আসে আরেক পরিবর্তন। হৃদয়পুরের মামাবাড়ি ছেড়ে চলে আসি সোদপুরে নিজেদ...
আজ আর কেউ,কাউকে জড়িয়ে ধরল না। শুধু একে অপরের হাতটা শক্ত করে ধরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে এল।
আজ আর কেউ,কাউকে জড়িয়ে ধরল না। শুধু একে অপরের হাতটা শক্ত করে ধরে সিঁড়ি বেয়ে ওপর...
দাদু-নাতির ভালোবাসা অকৃত্রিম! তমালের জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন তার ঠাকুরদা। সময়ের নিয়মে একদিন তি...
দাদু-নাতির ভালোবাসা অকৃত্রিম! তমালের জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন তার ঠাকুরদা। ...
এক জল ঝড়ের রাতে ওর বাবা মা কে মেরে ফেলেছিল ওর নিজের কাকারাই
এক জল ঝড়ের রাতে ওর বাবা মা কে মেরে ফেলেছিল ওর নিজের কাকারাই
যখন জ্ঞান ফিরল সৌম্যক দেখলো একটা ছোট্ট ঘরের খাটে শুয়ে আছে ও
যখন জ্ঞান ফিরল সৌম্যক দেখলো একটা ছোট্ট ঘরের খাটে শুয়ে আছে ও
সে সন্দেহ করতে শুরু করল যে ফাল্গুনীর বউয়ের সঙ্গে আমার অবৈধ সম্পর্ক চলছে.
সে সন্দেহ করতে শুরু করল যে ফাল্গুনীর বউয়ের সঙ্গে আমার অবৈধ সম্পর্ক চলছে.
আস্তে আস্তে লোকের ভীড় পাতলা হইয়া যাইতেছে, হাজারি একলা বসিয়া রহিয়াছে তাহার প্রিয় গাছতলাটিতে।
আস্তে আস্তে লোকের ভীড় পাতলা হইয়া যাইতেছে, হাজারি একলা বসিয়া রহিয়াছে তাহার প্...
বছর তিনেক আগে পৌষমেলায় সুরঙ্গমার সাথে আলাপ হয়।
বছর তিনেক আগে পৌষমেলায় সুরঙ্গমার সাথে আলাপ হয়।
ঋতুকা দিদি চলে যাচ্ছিলো , যাবার পথে হঠাৎ ঘুরে বললো , তোর বয়স কত হলো আদিত্য ?
ঋতুকা দিদি চলে যাচ্ছিলো , যাবার পথে হঠাৎ ঘুরে বললো , তোর বয়স কত হলো আদিত্য ?
আমার প্রতি কেবল তোমার অসীম ভালোবাসায় নয়, তোমার নিজের ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্যও তুমি আমায় পণ্যা হিসেবে...
আমার প্রতি কেবল তোমার অসীম ভালোবাসায় নয়, তোমার নিজের ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্যও তু...
বান্ধবগড় মোহিতকে ডাকছে কিন্তু অফিসে বিধি বাম। তাহলে উপায় ? ওদিকে ১০০ বছরের পুরনো গ্রামোফোন রেকর্ড কি...
বান্ধবগড় মোহিতকে ডাকছে কিন্তু অফিসে বিধি বাম। তাহলে উপায় ? ওদিকে ১০০ বছরের পুরনো... | [] | [] | 2026-03-07T16:28:10.431Z | ||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/niukliyaar-pribaar/mn83rvgs | নিউক্লিয়ার পরিবার | Bengali Tragedy Story | Protima Mondol | খন কি নিউক্লিয়ার ফ্যামিলিতেই সর্ব সুখ আছে বলে ভাবে নতুন প্রজন্মের কিছু কিছু মানুষ।. বায়না,আলোকবর্ষ,আবদার,নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি,ফ্ল্যাট বুকিং,উৎসবের আনন্দ,সুখের স্বর্গ | [
"বায়না",
"আলোকবর্ষ",
"আবদার",
"নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি",
"ফ্ল্যাট বুকিং",
"উৎসবের আনন্দ",
"সুখের স্বর্গ"
] | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/niukliyaar-pribaar/mn83rvgs | Tragedy
Inspirational
Tragedy
Inspirational
তপব্রতের হাসিমুখের ছবিটাতে একটা রজনী গন্ধা ফুলের মালা দিয়ে , ফটোর সামনে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলছে তনুজা। অনেক শখ করে বড়ো ছেলের বিয়ে দিয়ে বড়ো বৌমাকে কতো আশা আর দুচোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে বরণ করে ঘরে তুলেছিল। ভেবেছিল বৌমাকে সংসারের চাবিকাঠি বুঝিয়ে দিয়ে তার এবার ছুটি।
কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই বড়ো ছেলেকে নিয়ে বৌমা নতুন ফ্ল্যাট বুকিং করে চলে যাচ্ছে। এই খবর শোনার পর থেকেই তনুজা এতো অবাক হলো যে, মাথায় বজ্রঘাত হলেও এতো অবাক হতো না ।
শরৎ কালের দূর্গা পূজার সময় দেবী দুর্গার যেমন বরন করে নেওয়া হয়, তেমনি একদিন তনুজাকে তার শাশুড়ি মা মৃন্ময়ী দেবী বরন করে ঘরে তুলেছিল।
তনুজা যখন নতুন বৌ হয়ে এই বাড়িতে এসেছিল, তখন তার কতো কম বয়স ছিল। তখন থেকেই সংসারের সব দায়িত্ব কর্তব্য পালন করতে শুরু করেছিল নিষ্ঠাভরে। এখনও পর্যন্ত সেই কর্তব্য পালন করে যাচ্ছে খুশি মনে। কখনও তার মনে হয়নি কেউ জোর করে তার ওপর সংসারের সমস্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দিচ্ছে।
বিয়ের পর এসে দেখেছে শাশুড়ি মায়ের কর্ম ক্ষমতা কমে গেছে, ছোট ছোট দুই দেওর ও ননদ।
তাদের কখনও নিজের ভাই বোনের মতো, আবার কখনও নিজের সন্তানের মতো মানুষ করেছে, তাদের আগলে রেখেছে।
তাদের হাজার বায়না, আবদার সব মিটিয়ে বড়ো করে তুলেছে। বৃদ্ধ শশুর শাশুড়ি যতদিন বেঁচে ছিল তাদের সেবা শ্রূশষা করে গেছে তনুজা।
কিন্তু বৌমা বিয়ের পরেরদিন থেকেই এই সংসারে মানিয়ে নিতো পারলো না। পুজোর সময় তনুজার ছোট ছেলে রিভু তার দাদা অতুলের কাছে একটা মোবাইল গিফট চেয়েছিল। কিন্তু অতুলের বৌ রাখি তার ছোট দেওরের এই আবদার মানতে পারেনি। মনে মনে এই নিয়ে অসন্তুষ্ট দলা পাকিয়ে উঠেছে। তারপর থেকেই এই বিষয় নিয়ে একটা ছুঁতো করে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে চাই। রাখির ধারনা এই বাড়িতে থাকলে, তাদের নিজেদের কোন সংসার হবে না। নিজেদের স্বপ্ন পূরণ হবে না।
শাশুড়ি মা ও দেওরের আবদার মেটাতে মেটাতে তাদের জমাপুন্জি শেষ হয়ে যাবে। তাই আগেভাগেই লোন করে ফ্ল্যাট বুকিং করে, বাড়ি ছেড়ে চলে যাবার আগের দিন বড়ো ছেলে রাতুল ও তার বৌ রাখি জানাতে এসেছে।
আর ক'দিন পরে দূর্গা পূজা। এই সময় যারা বাড়ির বাইরে থাকে, তারা বাড়িতে ফেরে। কিন্তু তনুজার ছেলে বৌমা পরিবারের উৎসবের আনন্দ নষ্ট করে, শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থে পৈতৃক বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
তনুজার আদরের ছেলে নিজে আর তার বৌকে নিয়ে তাদের একান্ত নিজেদের সুখের স্বর্গ বানাতে চলে যাচ্ছে ফ্ল্যাট বাড়িতে। এই সমস্ত কথা ভাবতে ভাবতে তনুজার বুকটা তীব্র যন্তনায় ফেঁটে যাবে। যে ছেলে একদিন মা ছেড়ে কোথাও থাকেনি, সে নিজেও একদিনের জন্যও ছেলেকে নিজের থেকে দূরে রাখেনি। আজ সেই ছেলেও মাকে ছেড়ে চলে যাবার ব্যাপারে দুবার ভেবে দেখল না। তনুজার বারবার মনে হচ্ছে সে নিজেও বাড়ির বড়ো বৌমা ছিল আর পিয়ালী ও তার বড়ো ছেলের বৌ। কিন্তু দুজনের চিন্তা ধারা কতো আলোকবর্ষ দূরের মনে হচ্ছে। এখন কি নিউক্লিয়ার ফ্যামিলিতেই সর্ব সুখ আছে বলে ভাবে নতুন প্রজন্মের কিছু কিছু মানুষ।
উপেক্ষা ৩য় পর্ব
উপেক্ষা ৩য় পর্ব
নিঠুর সমাজ
নিঠুর সমাজ
নববর্ষের স্মৃতি
নববর্ষের স্মৃতি
Untitled
Untitled
দিগন্তের ওপার থেকে
দিগন্তের ওপার থেকে
খেলা হবে
খেলা হবে
তমা জানেনা। আজ তার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে আগুন ধরাচ্ছে কে? চিন্ময়? নাকি, অরু... অরণ্য?
তমা জানেনা। আজ তার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে আগুন ধরাচ্ছে কে? চিন্ময়? নাকি, অরু... ...
বাণী হয়তো বুঝতেই পারলোনা ঠিক কতটা সুখী হয়েছে তার বুকের পাঁজর, তার জয়ী
বাণী হয়তো বুঝতেই পারলোনা ঠিক কতটা সুখী হয়েছে তার বুকের পাঁজর, তার জয়ী
শব্দটা বড়ো আপন। ওইটুকু শুনলেই বোঝা যায় আমি আছি। একটা অসম্পূর্ণতা আমাকে মুছে ফেলতে
শব্দটা বড়ো আপন। ওইটুকু শুনলেই বোঝা যায় আমি আছি। একটা অসম্পূর্ণতা আমাকে মুছে ফেলত...
তোমার হাতটা একবার রাখবে আমার হাতের ওপর, বিপ্রদাস ?’
তোমার হাতটা একবার রাখবে আমার হাতের ওপর, বিপ্রদাস ?’
মৃতা মায়ের ছবিটার দিকে অপলকে তাকিয়ে রইলো... এইতো জীবনের আদান-প্রদান, ভালোয়-মন্দে, সু
মৃতা মায়ের ছবিটার দিকে অপলকে তাকিয়ে রইলো... এইতো জীবনের আদান-প্রদান, ভালোয়-মন...
আমার বিশ্বাস তুমি পারবে।
আমার বিশ্বাস তুমি পারবে।
আমি কিন্তু আজও দেখতে পাই
আমি কিন্তু আজও দেখতে পাই
আর দিগন্ত থেকে হয়ত তখনই একটা না বলা কথা উঠে আসতে চায়,কিন্তু পারে না,’তোকে,তোকে,তোকে।‘
আর দিগন্ত থেকে হয়ত তখনই একটা না বলা কথা উঠে আসতে চায়,কিন্তু পারে না,’তোকে,তোকে,ত...
বাড়ি ফিরে সেদিন ছিল খাঁ খাঁ শুন্যতা
বাড়ি ফিরে সেদিন ছিল খাঁ খাঁ শুন্যতা
এক আলোকবর্ষ দূর
এক আলোকবর্ষ দূর
"কলির শোকাচ্ছন্ন চেতনা ঘুরপাক খেতে খেতে ধাক্কা খায় ওদের বেডরুমের দেওয়ালে দেওয়ালে।"
"কলির শোকাচ্ছন্ন চেতনা ঘুরপাক খেতে খেতে ধাক্কা খায় ওদের বেডরুমের দেওয়ালে দেওয়...
"...লাগি লগন পতি সখী সন্....!"
"...লাগি লগন পতি সখী সন্....!"
Sontan sontoti shobar age.... Nijer career er o..
Sontan sontoti shobar age.... Nijer career er o..
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো...
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো... | [] | [] | 2026-03-07T16:28:17.053Z | |||||||
https://storymirror.com/read/bengali/story/paanse-khejur/xm77kcoj | পানসে খেজুর | Bengali Fantasy Story | Subarna Debnath | ঘুম ভাঙে শঙ্খের আওয়াজ এ। পাশে দিদুন কই!. স্মৃতিগুলো,বেশ,শোভা,দিগন্ত,মিষ্টি খেজুরের,ঘুমোচ্ছে. Read Bengali Fantasy Story পানসে খেজুর By Subarna Debnath | [
"স্মৃতিগুলো",
"বেশ",
"শোভা",
"দিগন্ত",
"মিষ্টি খেজুরের",
"ঘুমোচ্ছে"
] | https://cdn.storymirror.com/cover/original/63618b7682cb6ca12c757edcaf1aa5be.jpe | website | https://storymirror.com/read/bengali/story/paanse-khejur/xm77kcoj | Fantasy
Children
Fantasy
Children
বনো খেজুর গাছে ঢিল ছুড়তে ছুড়তে ক্লান্ত। দিদুন ও এখনো ঘুমোচ্ছে। উঠে পড়লে এই খেজুর পাড়া আর হবে না। বনো জানে দাদু রোজ ভোরবেলা ওর জন্য কুড়িয়ে রাখে। কিন্ত আজ সংখ্যায় এতো কম ছিল যে মন ভরে নি। তাই তো এই দুপুরে চুপি চুপি দরজা খুলে বেড়িয়ে এসেছি। কিন্ত লাভ কই হল, তাও খুব খুঁজে একটা পাওয়া গেল। এদিকে আমাকে পাশে না পেয়ে দিদুন বাইরে এসে পড়েছে। জিজ্ঞেস ও করল কি করছি একা একা ছোট্ট ছোট্ট সব পাথর নিয়ে । বনো নিজের বিফলের কথা বলাতে দিদুন হেসে ফেলল। তারপর বনো কে নিয়ে ভিতরে গিয়ে উঠোনে রাখা একটা পাতা দেখিয়ে বলে "ওটা কী তবে দিদা"। বনো এক ছুটে গিয়ে একটা খেজুর মুখে ভরে নেয়। মিষ্টি খেজুরের খোঁজ পেয়ে বনো দিদুনের সঙ্গে গা ঘেঁষে ঘুমিয়ে পড়ে।
ঘুম ভাঙে শঙ্খের আওয়াজ এ। পাশে দিদুন কই! বনো দেখে ও তো আর ছোট্টটি নেই। সপ্ন ছিল সেটা। কি মিষ্টি না ছিল সপ্নটা! কিন্ত স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়ে মুখটা পুরো তেতো হয়ে গেল। সত্যি টা আসলে তেতোই হয় আর স্মৃতিগুলো ভীষণ মিষ্টি।
ফিরে পাওয়া
ফিরে পাওয়া
নীল-পৃথিবীর প্রেম
নীল-পৃথিবীর প্রেম
কিশলয়
কিশলয়
কল্পনার বিরিয়ানি
কল্পনার বিরিয়ানি
আধুনিক বৌমা
আধুনিক বৌমা
আ পারফেক্ট প্যাসিফায়ার
আ পারফেক্ট প্যাসিফায়ার
পুরুষ দেহব্যবসা (তৃতিয় পর্ব )
পুরুষ দেহব্যবসা (তৃতিয় পর্ব )
অতি চালাকির পরিনতি
অতি চালাকির পরিনতি
গবুদাদুর গুপ্ত গবেষণাগার
গবুদাদুর গুপ্ত গবেষণাগার
অপরদিকে, রণদীপ ফিরে এসে কফিটার উপর লেখাটার দিকে চেয়ে রয়েছে। এ'সব সত্যি! রঞ্জিনী সত্যিই
অপরদিকে, রণদীপ ফিরে এসে কফিটার উপর লেখাটার দিকে চেয়ে রয়েছে। এ'সব সত্যি! রঞ্জিন...
এক ধূসর কথোপকথন
এক ধূসর কথোপকথন
স্বরূপ মালতির মাথায় হাত রেখে বলে উঠল তোর এই দাদাকে সবসময় তোর পাশে পাবি
স্বরূপ মালতির মাথায় হাত রেখে বলে উঠল তোর এই দাদাকে সবসময় তোর পাশে পাবি
বাড়ি ফিরতে ফিরতে ভাবছি আমি ওর মত খানিকটা বাঁচতে পারবোতো ?
বাড়ি ফিরতে ফিরতে ভাবছি আমি ওর মত খানিকটা বাঁচতে পারবোতো ?
ঝিমলি ভাবতে ভাবতে উদাস চোখে ঘরের কোণে ঝুলতে থাকা কাজ হারানো ছাগলের দড়ির দিকে তাকিয়ে থা
ঝিমলি ভাবতে ভাবতে উদাস চোখে ঘরের কোণে ঝুলতে থাকা কাজ হারানো ছাগলের দড়ির দিকে তা...
টাকার গন্ধ এখন ভাতের গন্ধের মতো
টাকার গন্ধ এখন ভাতের গন্ধের মতো
কর্মব্যস্ত বাঙালি দম্পতিদের মনের মতো খাবারের একমাত্র ভরসা 'দীনময়ীর রান্নাঘর
কর্মব্যস্ত বাঙালি দম্পতিদের মনের মতো খাবারের একমাত্র ভরসা 'দীনময়ীর রান্নাঘর
Koto sci-fi porechen to.. Eta ekdom abhinobo... Na porlei miss..
Koto sci-fi porechen to.. Eta ekdom abhinobo... Na porlei miss..
surer murchhonay ekjon manush ar ekjon er kacheashe, bondhutar r ek nam sur, gan.
ei golpoti na por...
surer murchhonay ekjon manush ar ekjon er kacheashe, bondhutar r ek nam sur, gan...
এরপর আমাদের বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা চালালেন, এমনকি অন্যান্য ছায়াপথের বিভিন্ন গ্রহেও অনুসন্ধান করা হলো...
এরপর আমাদের বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা চালালেন, এমনকি অন্যান্য ছায়াপথের বিভিন্ন গ্রহ...
সামনে চলতে থাকা চলচ্চিত্রের টুকরো টুকরো ঝলকের মধ্যে যখন বিভোর হয়ে গিয়েছিল সার্থক তখনই আচমকা ওর ডান হ...
সামনে চলতে থাকা চলচ্চিত্রের টুকরো টুকরো ঝলকের মধ্যে যখন বিভোর হয়ে গিয়েছিল সার্থক... | [] | [] | 2026-03-07T16:28:25.160Z |
StoryMirror Multilingual Literature Archive
Overview
This repository contains a large-scale text dataset scraped from storymirror.com, a prominent digital platform for Indian literature. The primary goal of this archive is to preserve a massive, multilingual collection of purely human-written stories, poems, and quotes, creating a distinct record of human creativity and storytelling across various Indian languages.
Purpose and Usage
This dataset is published publicly and strictly for educational, research, linguistic analysis, and archival purposes. It is an invaluable resource for Natural Language Processing (NLP) researchers, data scientists, and linguists looking to:
- Pre-train or fine-tune Large Language Models (LLMs) on multilingual creative writing, especially for underrepresented or low-resource Indian languages.
- Study code-switching, regional dialects, and narrative structures in modern Indian digital literature.
- Perform cross-lingual sentiment analysis and text classification.
Dataset Details
- Source: storymirror.com
- Collection Method: Web scraping
- Content Type: Text (Short stories, micro-tales, poems, and creative writing authored by humans without the use of AI).
- Repository:
sayurio/storymirror.com-web-scrape
Copyright and Fair Use Disclaimer
This archive is created under the principles of Fair Use (under Section 107 of the Copyright Act) for purposes such as criticism, comment, teaching, scholarship, and research.
- No Ownership Claimed: The creator of this repository does not claim any ownership, authorship, or copyright over the original literary works. All rights, title, and interest in the original text remain entirely with their respective authors and StoryMirror Infotech Pvt. Ltd.
- Non-Commercial: This dataset is provided completely free of charge and is strictly not intended for commercial gain, monetization, or profit.
- Transformative Use: The data has been aggregated, extracted from its original web formatting, and compiled specifically for computational analysis, archiving, and educational study. This represents a transformative use of the original publicly available material.
Takedown Requests: If you are a copyright holder or an author whose work is included in this dataset and wish for it to be removed from this archive, please open an issue or contact the repository owner directly. Please submit a removal request specifying the exact story/poem titles, URLs, or text snippets you wish to have taken down so they can be accurately located within the dataset and removed.
How to Use
You can load this dataset directly into your Python environment using the Hugging Face datasets library:
from datasets import load_dataset
# Load the dataset
dataset = load_dataset("sayurio/storymirror.com-web-scrape")
# View the structure of the first literary entry
print(dataset['train'][0])
- Downloads last month
- 7